ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারের ঋণ বেড়ে ২৪ লাখ কোটি টাকা >> বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে তাসখন্দ, পঞ্চম ঢাকা >> চতুর্থবারের মতো পেছালো হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ >> নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র : তারেক রহমান >> ঘুষ ও চাঁদাবাজিমুক্ত ব্যবসাবান্ধব রাষ্ট্র গড়া আমাদের অঙ্গীকার : জামায়াত আমির >> সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা >>

খামেনির ছেলে মোজতবার নামে বিদেশে শত শত কোটি টাকার সম্পত্তি

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলের বিদেশে গোপন সম্পত্তির সাম্রাজ্যের তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ। দীর্ঘ এক বছরের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ৫৬ বছর বয়সী ছেলে মোজতবা খামেনি বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে বিদেশে বিস্তৃত রিয়েল এস্টেট নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছেন।

যদিও এসব সম্পত্তির কোনোটিই সরাসরি মোজতবা খামেনির নামে নিবন্ধিত নয়, তবে ২০১১ সাল থেকেই তিনি এসব সম্পদের চুক্তিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন বলে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থা, অভ্যন্তরীণ সূত্র, সম্পত্তির নথি এবং গোপন দলিলের বরাতে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সম্পত্তির তালিকায় রয়েছে লন্ডনে ১৩৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের বিলাসবহুল ভবন। এর মধ্যে ২০১৪ সালে কেনা ৪৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের একটি সম্পত্তি, দুবাইয়ের অভিজাত এলাকায় একটি ভিলা, পাশাপাশি জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট ও স্পেনের মায়োরকায় উচ্চমানের হোটেল।

ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, মূলত ইরানি তেল বিক্রির অর্থ ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড, লিশটেনস্টাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে শেল কোম্পানির ব্যবহার করে স্থানান্তর করা হয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে রয়েছে জিবা লেজার লিমিটেড, বার্চ ভেঞ্চারস লিমিটেড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

এই লেনদেনগুলোর অনেকটিতেই ইরানি ব্যাংকার আলি আনসারির নাম ‘মালিক বা পরিচালক’ হিসেবে উঠে এসেছে। চলতি বছরের অক্টোবরে, যুক্তরাজ্য সরকার তাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে। তবে, আনসারি মোজতবা খামেনির সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, আনসারির বিরুদ্ধে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড বাহিনীকে অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপজুড়ে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ইউরো মূল্যের সম্পত্তির মালিকানার তথ্যও উঠে এসেছে, যার মধ্যে রয়েছে মায়োরকার একটি গলফ রিসোর্ট থেকে শুরু করে অস্ট্রিয়ার একটি স্কি হোটেল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খামেনির ছেলে মোজতবার নামে বিদেশে শত শত কোটি টাকার সম্পত্তি

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলের বিদেশে গোপন সম্পত্তির সাম্রাজ্যের তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ। দীর্ঘ এক বছরের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ৫৬ বছর বয়সী ছেলে মোজতবা খামেনি বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে বিদেশে বিস্তৃত রিয়েল এস্টেট নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছেন।

যদিও এসব সম্পত্তির কোনোটিই সরাসরি মোজতবা খামেনির নামে নিবন্ধিত নয়, তবে ২০১১ সাল থেকেই তিনি এসব সম্পদের চুক্তিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন বলে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থা, অভ্যন্তরীণ সূত্র, সম্পত্তির নথি এবং গোপন দলিলের বরাতে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সম্পত্তির তালিকায় রয়েছে লন্ডনে ১৩৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের বিলাসবহুল ভবন। এর মধ্যে ২০১৪ সালে কেনা ৪৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের একটি সম্পত্তি, দুবাইয়ের অভিজাত এলাকায় একটি ভিলা, পাশাপাশি জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট ও স্পেনের মায়োরকায় উচ্চমানের হোটেল।

ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, মূলত ইরানি তেল বিক্রির অর্থ ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড, লিশটেনস্টাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে শেল কোম্পানির ব্যবহার করে স্থানান্তর করা হয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে রয়েছে জিবা লেজার লিমিটেড, বার্চ ভেঞ্চারস লিমিটেড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

এই লেনদেনগুলোর অনেকটিতেই ইরানি ব্যাংকার আলি আনসারির নাম ‘মালিক বা পরিচালক’ হিসেবে উঠে এসেছে। চলতি বছরের অক্টোবরে, যুক্তরাজ্য সরকার তাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে। তবে, আনসারি মোজতবা খামেনির সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, আনসারির বিরুদ্ধে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড বাহিনীকে অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপজুড়ে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ইউরো মূল্যের সম্পত্তির মালিকানার তথ্যও উঠে এসেছে, যার মধ্যে রয়েছে মায়োরকার একটি গলফ রিসোর্ট থেকে শুরু করে অস্ট্রিয়ার একটি স্কি হোটেল।