ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নিজ কার্যালয়ে যেভাবে নিহত হন খামেনি

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দেশটির সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। রবিবার (১ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য প্রকাশ করে।

এর আগে খামেনির মৃত্যুর দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরবর্তীতে দুটি মার্কিন সূত্র ও সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, শনিবার ভোরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার সময় খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন।

ইসরাইলি কর্মকর্তাদের দাবি, ওই হামলায় খামেনি ছাড়াও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সহযোগী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলী শামখানি ও ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোরও রয়েছেন।

ইরানি একটি সূত্র রয়টার্সকে জানায়, হামলার ঠিক আগে শামখানি ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলী লারিজানির সঙ্গে খামেনি একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করছিলেন।

এদিকে শনিবার খামেনির তেহরানের বাসভবনের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, প্রাসাদসদৃশ স্থাপনাটি ধসে পড়েছে এবং চারপাশ কালো হয়ে গেছে—যা থেকে বড় ধরনের বিস্ফোরণের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
ইরানের আরেক রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকা-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মেয়ে ও নাতি নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি তার জামাতা ও পুত্রবধূও মারা গেছেন।

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে রবিবার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে ৭ দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নিজ কার্যালয়ে যেভাবে নিহত হন খামেনি

আপডেট সময় : ০৪:২৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দেশটির সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। রবিবার (১ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য প্রকাশ করে।

এর আগে খামেনির মৃত্যুর দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরবর্তীতে দুটি মার্কিন সূত্র ও সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, শনিবার ভোরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার সময় খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন।

ইসরাইলি কর্মকর্তাদের দাবি, ওই হামলায় খামেনি ছাড়াও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সহযোগী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলী শামখানি ও ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোরও রয়েছেন।

ইরানি একটি সূত্র রয়টার্সকে জানায়, হামলার ঠিক আগে শামখানি ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলী লারিজানির সঙ্গে খামেনি একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করছিলেন।

এদিকে শনিবার খামেনির তেহরানের বাসভবনের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, প্রাসাদসদৃশ স্থাপনাটি ধসে পড়েছে এবং চারপাশ কালো হয়ে গেছে—যা থেকে বড় ধরনের বিস্ফোরণের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
ইরানের আরেক রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকা-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মেয়ে ও নাতি নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি তার জামাতা ও পুত্রবধূও মারা গেছেন।

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে রবিবার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে ৭ দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে।