ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র যে কারণে প্রতিহত করা সম্ভব হচ্ছে না, জানাল আইডিএফ

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৮:০২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরায়েলের দিকে ইরান যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, তার প্রায় ৫০ শতাংশে ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়েছে। এমনটি জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সাম্প্রতিক এক মূল্যায়নে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আইডিএফের মতে, ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড বিস্ফোরণের সময় অসংখ্য ছোট সাবমিউনিশন ছড়িয়ে দেয়। প্রতিটি সাবমিউনিশনে কয়েক কেজি বিস্ফোরক থাকে এবং প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে তা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হলেও তা বেশ জটিল। তারা বলেন, ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর হলেও তা পুরোপুরি অপ্রবেশযোগ্য নয়। আইডিএফের হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে জনবসতিপূর্ণ এলাকা, সামরিক স্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে বেছে নেয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের হামলায় সাধারণত একবারে একটি বা অল্পসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। আইডিএফের ধারণা, বড় আকারের সমন্বিত হামলা চালাতে ইরান কিছুটা সমস্যার মুখে পড়ছে।

গতকাল মধ্য ইসরায়েলের একটি নির্মাণস্থলে ক্লাস্টার বোমার আঘাতে দুজন নিহত হন। একই অঞ্চলে অন্য একটি স্থানে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের কারণে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

সুত্র। টাইমস অব ইসরায়েলের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র যে কারণে প্রতিহত করা সম্ভব হচ্ছে না, জানাল আইডিএফ

আপডেট সময় : ০৮:০২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েলের দিকে ইরান যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, তার প্রায় ৫০ শতাংশে ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়েছে। এমনটি জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সাম্প্রতিক এক মূল্যায়নে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আইডিএফের মতে, ক্লাস্টার বোমা ওয়ারহেড বিস্ফোরণের সময় অসংখ্য ছোট সাবমিউনিশন ছড়িয়ে দেয়। প্রতিটি সাবমিউনিশনে কয়েক কেজি বিস্ফোরক থাকে এবং প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে তা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হলেও তা বেশ জটিল। তারা বলেন, ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর হলেও তা পুরোপুরি অপ্রবেশযোগ্য নয়। আইডিএফের হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে জনবসতিপূর্ণ এলাকা, সামরিক স্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে বেছে নেয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের হামলায় সাধারণত একবারে একটি বা অল্পসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। আইডিএফের ধারণা, বড় আকারের সমন্বিত হামলা চালাতে ইরান কিছুটা সমস্যার মুখে পড়ছে।

গতকাল মধ্য ইসরায়েলের একটি নির্মাণস্থলে ক্লাস্টার বোমার আঘাতে দুজন নিহত হন। একই অঞ্চলে অন্য একটি স্থানে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের কারণে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

সুত্র। টাইমস অব ইসরায়েলের।