ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানির সময় ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও আলোচিত ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন ভবনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আফরোজা খানমের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের ব্যাখ্যা শেষে কমিশন দুপুরে আধাঘণ্টার জন্য শুনানি মুলতবি করলে কমিশন কক্ষ ত্যাগের পর আইনজীবীদের মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বিরোধী পক্ষের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এতে অডিটোরিয়ামে অন্য শুনানির জন্য উপস্থিত এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ আপত্তি জানালে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায় তাবিথ আউয়াল তার বাবা আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে কমিশন থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৮৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানির সময় ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও আলোচিত ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন ভবনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আফরোজা খানমের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

আইনজীবীদের ব্যাখ্যা শেষে কমিশন দুপুরে আধাঘণ্টার জন্য শুনানি মুলতবি করলে কমিশন কক্ষ ত্যাগের পর আইনজীবীদের মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বিরোধী পক্ষের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এতে অডিটোরিয়ামে অন্য শুনানির জন্য উপস্থিত এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ আপত্তি জানালে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায় তাবিথ আউয়াল তার বাবা আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে কমিশন থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানির সময় ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও আলোচিত ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন ভবনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আফরোজা খানমের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের ব্যাখ্যা শেষে কমিশন দুপুরে আধাঘণ্টার জন্য শুনানি মুলতবি করলে কমিশন কক্ষ ত্যাগের পর আইনজীবীদের মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বিরোধী পক্ষের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এতে অডিটোরিয়ামে অন্য শুনানির জন্য উপস্থিত এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ আপত্তি জানালে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায় তাবিথ আউয়াল তার বাবা আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে কমিশন থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আপডেট সময় : ০১:১৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানির সময় ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও আলোচিত ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন ভবনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আফরোজা খানমের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

আইনজীবীদের ব্যাখ্যা শেষে কমিশন দুপুরে আধাঘণ্টার জন্য শুনানি মুলতবি করলে কমিশন কক্ষ ত্যাগের পর আইনজীবীদের মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বিরোধী পক্ষের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এতে অডিটোরিয়ামে অন্য শুনানির জন্য উপস্থিত এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ আপত্তি জানালে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায় তাবিথ আউয়াল তার বাবা আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে কমিশন থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।