ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

গাইবান্ধায় বৈষম্যবিরোধী নেতাদের তোপের মুখে আইন উপদেষ্টা

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৭৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধায় একটি মতবিনিময় সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েছিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। পরে তিনি বক্তব্য অসমাপ্ত রেখে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে গাইবান্ধা জেলা ইনডোর স্টেডিয়ামে গণভোটের বিষয়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মতবিনিময় সভায় নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে হ্যাঁ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, গণভোট কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না, গণভোট নতুন বাংলাদেশের পক্ষে ও বিপক্ষে ভোট।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আমাদের পরিবর্তিত রাষ্ট্র গড়তে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনারা যদি হ্যাঁ ভোট দেন তবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথ উন্মুক্ত হবে।

গত ১৫ বছর এদেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, ফ্যাসিস্ট ও খুনি শেখ হাসিনা ঠিক করে দিতেন এ দেশের সরকার কে হবে, সংসদে কে বসবে। তার মতামত চাপিয়ে দিতেন দেশের জনগণের উপরে। প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা, হত্যা, গুম এবং আয়না ঘরে বন্দি করে রাখা হত। এই জুলুম, অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে দেশের ছাত্র সমাজসহ সর্বস্তরের জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছিল।অনেক রক্তের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে মন্তব্য করে আইন উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন নির্বাচনে সবাই ভোট দিতে যাবেন। যার যেমন প্রার্থী পছন্দ তিনি সে প্রার্থীকেই ভোট দেবেন। ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে কেউ কাউকে বাধা প্রদান করবেন না। ভোটদানে বাধা প্রদান করা শেখ হাসিনার নীতি। আমরা কেউ শেখ হাসিনার নীতি অবলম্বন করব না।

মতবিনিময় সভায় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা, পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিনসহ জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য চলাকালে স্থানীয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের কী অবস্থা ও মামলার অভিযোগপত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একপর্যায়ে তাদের তোপের মুখে আইন উপদেষ্টা বক্তব্য অসমাপ্ত রেখে চলে যান। এ সময় ভুয়া ভুয়া বলে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গাইবান্ধায় বৈষম্যবিরোধী নেতাদের তোপের মুখে আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:০২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধায় একটি মতবিনিময় সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েছিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। পরে তিনি বক্তব্য অসমাপ্ত রেখে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে গাইবান্ধা জেলা ইনডোর স্টেডিয়ামে গণভোটের বিষয়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মতবিনিময় সভায় নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে হ্যাঁ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, গণভোট কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না, গণভোট নতুন বাংলাদেশের পক্ষে ও বিপক্ষে ভোট।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আমাদের পরিবর্তিত রাষ্ট্র গড়তে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনারা যদি হ্যাঁ ভোট দেন তবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথ উন্মুক্ত হবে।

গত ১৫ বছর এদেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, ফ্যাসিস্ট ও খুনি শেখ হাসিনা ঠিক করে দিতেন এ দেশের সরকার কে হবে, সংসদে কে বসবে। তার মতামত চাপিয়ে দিতেন দেশের জনগণের উপরে। প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা, হত্যা, গুম এবং আয়না ঘরে বন্দি করে রাখা হত। এই জুলুম, অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে দেশের ছাত্র সমাজসহ সর্বস্তরের জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছিল।অনেক রক্তের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে মন্তব্য করে আইন উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন নির্বাচনে সবাই ভোট দিতে যাবেন। যার যেমন প্রার্থী পছন্দ তিনি সে প্রার্থীকেই ভোট দেবেন। ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে কেউ কাউকে বাধা প্রদান করবেন না। ভোটদানে বাধা প্রদান করা শেখ হাসিনার নীতি। আমরা কেউ শেখ হাসিনার নীতি অবলম্বন করব না।

মতবিনিময় সভায় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা, পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিনসহ জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য চলাকালে স্থানীয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের কী অবস্থা ও মামলার অভিযোগপত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একপর্যায়ে তাদের তোপের মুখে আইন উপদেষ্টা বক্তব্য অসমাপ্ত রেখে চলে যান। এ সময় ভুয়া ভুয়া বলে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।