ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

একযোগে এনসিপির ১৩ নেতার পদত্যাগ

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৭:১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হবিগঞ্জ: ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন, জুলাইযোদ্ধাদের বঞ্চিত করাসহ নানা অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব পলাশ মাহমুদসহ ১৩ নেতা পদত্যাগ করেছেন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকায় দলের একাংশের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে তারা পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় কমিটি গঠনের সময় ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দোসরদের পুনর্বাসন করা হয়েছে এবং জুলাইযোদ্ধাদের পরিকল্পিতভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে। মধ্যপন্থার রাজনীতির লক্ষ্য নিয়ে এনসিপি গঠিত হলেও কেন্দ্রীয় কমিটি সেই অবস্থান থেকে সরে এসে দুই মাসের মধ্যে দুটি জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়।

এ ছাড়া উপদেষ্টাসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও তোলা হয়।

প্রার্থী মনোনয়ন নিয়েও অসন্তোষের কথা জানান তারা। মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে জুলাইযোদ্ধারা কাজ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না বলেও সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়।

তাদের অভিযোগ, কমিটিতে অনুগত শ্রেণি তৈরির লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায়ের জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতাকর্মীদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রমে জেলা কমিটি চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

পলাশ মাহমুদ ছাড়াও পদত্যাগকারীরা হলেন- জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নূরুল হক টিপু, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল ওয়াহিদ মনির, যুগ্ম সদস্যসচিব সিরাজুল হক সজিব, শেখ রুবেল আহমেদ, সালমা হাসান, সঞ্জয় দাশ, সদস্য মো. হারুন মিয়া, মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট মো. জসিম উদ্দিন, এএইচএম শফিউল আলম খান, মো. জাহিদ মিয়া ও সোফায়েল আহমেদ।

পলাশ মাহমুদ বলেন, ১৩ জনের পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে জেলা কমিটির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বাংলানিউজকে বলেন, হতাশা থেকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আপাতত বাংলাদেশে মধ্যপন্থার রাজনীতি করে; এমন কোনো দল আছে বলে মনে হয় না।
তবে এনসিপি যদি ভুল সংশোধন করে বা নতুন করে এমন কোনো মধ্যমপন্থার দল গড়ে ওঠে, যারা একাত্তর ও চব্বিশ-উভয়কে ধারণ করবে, তাহলে যুক্ত হওয়ার কথা ভাববেন পলাশ। অন্যথায় একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবেই থাকবেন বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

একযোগে এনসিপির ১৩ নেতার পদত্যাগ

আপডেট সময় : ০৭:১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জ: ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন, জুলাইযোদ্ধাদের বঞ্চিত করাসহ নানা অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব পলাশ মাহমুদসহ ১৩ নেতা পদত্যাগ করেছেন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকায় দলের একাংশের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে তারা পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় কমিটি গঠনের সময় ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দোসরদের পুনর্বাসন করা হয়েছে এবং জুলাইযোদ্ধাদের পরিকল্পিতভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে। মধ্যপন্থার রাজনীতির লক্ষ্য নিয়ে এনসিপি গঠিত হলেও কেন্দ্রীয় কমিটি সেই অবস্থান থেকে সরে এসে দুই মাসের মধ্যে দুটি জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়।

এ ছাড়া উপদেষ্টাসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও তোলা হয়।

প্রার্থী মনোনয়ন নিয়েও অসন্তোষের কথা জানান তারা। মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে জুলাইযোদ্ধারা কাজ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না বলেও সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়।

তাদের অভিযোগ, কমিটিতে অনুগত শ্রেণি তৈরির লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায়ের জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতাকর্মীদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রমে জেলা কমিটি চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

পলাশ মাহমুদ ছাড়াও পদত্যাগকারীরা হলেন- জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নূরুল হক টিপু, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল ওয়াহিদ মনির, যুগ্ম সদস্যসচিব সিরাজুল হক সজিব, শেখ রুবেল আহমেদ, সালমা হাসান, সঞ্জয় দাশ, সদস্য মো. হারুন মিয়া, মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট মো. জসিম উদ্দিন, এএইচএম শফিউল আলম খান, মো. জাহিদ মিয়া ও সোফায়েল আহমেদ।

পলাশ মাহমুদ বলেন, ১৩ জনের পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে জেলা কমিটির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বাংলানিউজকে বলেন, হতাশা থেকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আপাতত বাংলাদেশে মধ্যপন্থার রাজনীতি করে; এমন কোনো দল আছে বলে মনে হয় না।
তবে এনসিপি যদি ভুল সংশোধন করে বা নতুন করে এমন কোনো মধ্যমপন্থার দল গড়ে ওঠে, যারা একাত্তর ও চব্বিশ-উভয়কে ধারণ করবে, তাহলে যুক্ত হওয়ার কথা ভাববেন পলাশ। অন্যথায় একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবেই থাকবেন বলে জানান তিনি।