প্রার্থীর মৃত্যুতে কি নির্বাচন স্থগিত হয়? যা আছে আইনে
- আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৭১ বার পড়া হয়েছে
অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল। এ অবস্থায় ওই আসনের নির্বাচন কীভাবে অনুষ্ঠিত হবে অথবা হবে কিনা তা নিয়ে অনেকের মনে কৌতুহল রয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কোনো প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার বিষয়ে বাংলাদেশের আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর আলোকে প্রার্থীর মৃত্যু সংক্রান্ত বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপ-ধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত (Validly Nominated) প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।
প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন।
সংশ্লিষ্ট আসনে নতুন করে নির্বাচনের জন্য পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হবে।
যারা আগে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ছিল, তাদের নতুন করে ফরম জমা বা জামানত দিতে হবে না। শুধুমাত্র নতুন প্রার্থীরা সেখানে অংশ নিতে পারবেন।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান জানিয়েছেন, শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে এবং এই আসনের নির্বাচনী তফসিল পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।













