ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কোথায় থাকবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী?

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৬:২১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগোতেই এখন জোর আলোচনা কোথায় থাকবেন নবনির্বাচিত সরকারের ভাবী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান?

২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর বদলে যায় দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা। সেদিন ছাত্র-জনতার ক্ষোভের সাক্ষী হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর এই সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’। পরে সেটি রূপান্তরিত হয় জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে। ফলে অনেকের জিজ্ঞাসা নতুন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কোথায়?

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বলছে, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’কে নতুন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করা হতে পারে। এ বিষয়ে নির্দেশনা পেলে কাজ করবে তারা।

গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, যমুনা সুরক্ষিত রয়েছে। নির্দেশনা পেলে, খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে যমুনাকে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করতে পারবো।

তবে শুধু যমুনা নয়, নতুন করে প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি আধুনিক ও স্থায়ী সরকারি বাসভবন নির্মাণের পরিকল্পনাও চলছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নিরাপত্তা, প্রশাসনিক সুবিধা ও প্রটোকল ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়েই প্রাথমিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাসভবন শুরু একটি বাড়িই নয়, বরং এটি আমাদের ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের মর্যাদার প্রতীক। এই প্রতীক যাতে সবচেয়ে বেশি মর্যাদাপূর্ণ হয় এবং যেকোন দেশের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের থেকে যাতে আমরা পিছিয়ে না থাকি, সেইভাবে তুলনা করেই আমরা একটি পরিকল্পনা করেছি।

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনার পাশেই ২৯ নম্বর ভবন প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিরোধী দলীয় নেতার জন্য। নব্বইয়ের দশকে এ ভবনটি বরাদ্দ ছিলো তৎকালীন বিরোধী নেতাদের জন্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বর্তমানে তিনি থাকছেন গুলশানের ১৯৬ নম্বরের ভাড়া বাসায়। দায়িত্ব নেয়ার পর তিনি সেখানেই থাকবেন নাকি অন্য কোথাও—তা নির্ভর করবে একান্তই তার সিদ্ধানের ওপর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কোথায় থাকবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী?

আপডেট সময় : ০৬:২১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগোতেই এখন জোর আলোচনা কোথায় থাকবেন নবনির্বাচিত সরকারের ভাবী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান?

২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর বদলে যায় দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা। সেদিন ছাত্র-জনতার ক্ষোভের সাক্ষী হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর এই সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’। পরে সেটি রূপান্তরিত হয় জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে। ফলে অনেকের জিজ্ঞাসা নতুন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কোথায়?

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বলছে, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’কে নতুন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করা হতে পারে। এ বিষয়ে নির্দেশনা পেলে কাজ করবে তারা।

গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, যমুনা সুরক্ষিত রয়েছে। নির্দেশনা পেলে, খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে যমুনাকে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করতে পারবো।

তবে শুধু যমুনা নয়, নতুন করে প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি আধুনিক ও স্থায়ী সরকারি বাসভবন নির্মাণের পরিকল্পনাও চলছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নিরাপত্তা, প্রশাসনিক সুবিধা ও প্রটোকল ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়েই প্রাথমিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাসভবন শুরু একটি বাড়িই নয়, বরং এটি আমাদের ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের মর্যাদার প্রতীক। এই প্রতীক যাতে সবচেয়ে বেশি মর্যাদাপূর্ণ হয় এবং যেকোন দেশের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের থেকে যাতে আমরা পিছিয়ে না থাকি, সেইভাবে তুলনা করেই আমরা একটি পরিকল্পনা করেছি।

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনার পাশেই ২৯ নম্বর ভবন প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিরোধী দলীয় নেতার জন্য। নব্বইয়ের দশকে এ ভবনটি বরাদ্দ ছিলো তৎকালীন বিরোধী নেতাদের জন্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বর্তমানে তিনি থাকছেন গুলশানের ১৯৬ নম্বরের ভাড়া বাসায়। দায়িত্ব নেয়ার পর তিনি সেখানেই থাকবেন নাকি অন্য কোথাও—তা নির্ভর করবে একান্তই তার সিদ্ধানের ওপর।