ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না, ভোট হবে নিরপেক্ষ : সেনাপ্রধান

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৮২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব কর্মকর্তা ও সৈনিককে পেশাদারত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন হবে শতভাগ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। এতে কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসের সেনাপ্রাঙ্গণে আয়োজিত পৃথক দুটি সভায় সৈনিকদের সাথে দরবার এবং কর্মকর্তাদের সাথে অফিসার্স অ্যাড্রেসে, সেনাপ্রধান এসব নির্দেশনা দেন। সভায় ঢাকার বাইরে অবস্থানরত সেনাকর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত হন।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র জানায়, ওই অফিসার অ্যাড্রেসে সেনাবাহিনী প্রধান বর্তমান পরিস্থিতি এবং আসন্ন নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালনসংক্রান্ত বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না। কোনো স্বজনপ্রীতি বা কারও পক্ষ নেওয়া যাবে না। ভোটের মাঠে পেশাদারত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

সেনাপ্রধান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে শতভাগ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিতে হবে, যাতে সব শ্রেণির মানুষ ভোটকেন্দ্রে যান। ভোটকেন্দ্র বা মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে সবাই নির্বিঘ্নে-নিশ্চিন্তে ভোট দিয়ে বাসায় ফিরবেন। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেনাসদস্যরা দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী নিষ্ঠার সঙ্গে যে দায়িত্ব পালন করছে, সেটি দেশ ও জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে। আগামী নির্বাচনের পর গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিয়ে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরতে হবে।

এ সময় সেনাপ্রধান দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নানা ধরনের অপপ্রচার, গুজব, উসকানিমূলক বক্তব্যসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। কর্মকর্তা ও সৈনিকদের সবাইকে ধৈর্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যেকোনো উসকানিমূলক বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া না দেখানোর বিষয়েও সতর্ক করেন। পাশাপাশি সেনাপ্রধান বলেন, বিভিন্ন জেলা-উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তাদের সাজা দিতে হবে, যাতে নির্বাচনে কোনো ধরনের সহিংসতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না, ভোট হবে নিরপেক্ষ : সেনাপ্রধান

আপডেট সময় : ১০:১৯:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব কর্মকর্তা ও সৈনিককে পেশাদারত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন হবে শতভাগ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। এতে কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসের সেনাপ্রাঙ্গণে আয়োজিত পৃথক দুটি সভায় সৈনিকদের সাথে দরবার এবং কর্মকর্তাদের সাথে অফিসার্স অ্যাড্রেসে, সেনাপ্রধান এসব নির্দেশনা দেন। সভায় ঢাকার বাইরে অবস্থানরত সেনাকর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত হন।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র জানায়, ওই অফিসার অ্যাড্রেসে সেনাবাহিনী প্রধান বর্তমান পরিস্থিতি এবং আসন্ন নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালনসংক্রান্ত বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না। কোনো স্বজনপ্রীতি বা কারও পক্ষ নেওয়া যাবে না। ভোটের মাঠে পেশাদারত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

সেনাপ্রধান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে শতভাগ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিতে হবে, যাতে সব শ্রেণির মানুষ ভোটকেন্দ্রে যান। ভোটকেন্দ্র বা মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে সবাই নির্বিঘ্নে-নিশ্চিন্তে ভোট দিয়ে বাসায় ফিরবেন। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেনাসদস্যরা দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী নিষ্ঠার সঙ্গে যে দায়িত্ব পালন করছে, সেটি দেশ ও জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে। আগামী নির্বাচনের পর গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিয়ে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরতে হবে।

এ সময় সেনাপ্রধান দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নানা ধরনের অপপ্রচার, গুজব, উসকানিমূলক বক্তব্যসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। কর্মকর্তা ও সৈনিকদের সবাইকে ধৈর্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যেকোনো উসকানিমূলক বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া না দেখানোর বিষয়েও সতর্ক করেন। পাশাপাশি সেনাপ্রধান বলেন, বিভিন্ন জেলা-উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তাদের সাজা দিতে হবে, যাতে নির্বাচনে কোনো ধরনের সহিংসতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।