ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ক্ষমতায় গেলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা কোনো বৈধ সুবিধাও প্রয়োজন ছাড়া নেবে না: শফিকুর রহমান

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ৯০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক্ষমতায় গেলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা কোনো বৈধ সুবিধাও প্রয়োজন ছাড়া নেবে না বলে জানিয়েছেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে ন্যায়বিচারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পদ-পদবি দেখে কারো বিচার করা হবে না।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত পলিসি সামিটে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশটাকে লুটেপুটে খেয়ে একদল হাড্ডিসার করে রেখেছে। আমরা এই অবস্থান থেকেই উন্নত বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাবো। দেশ ভালো থাকলে আমরা সবাই ভালো থাকবো। তরুণেরা ‘২৪-এ দেশের পাল ঘুরিয়ে দিয়েছে। আগামী নির্বাচনেও তারাই পাল ঘুরিয়ে দেবে।

যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমাদের কাজ শেষ হয়নি, এখনই শুরু। তোমরা একটা স্বৈরাচার দেশ থেকে তাড়িয়েছো, কিন্তু স্বৈরাচারী মানসিকতা দেশ থেকে এখনো যায়নি। এটাকে নির্মূল না করা পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত থাকবে। আর আমরাও তোমাদের সাথে থাকবো, পাশে থাকবো, পিছে নয়।
জামায়াত আমির বলেন, দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি, খুন, রাহাজানি, হত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, গুম—সবকিছু নির্মূল হবে যদি সব ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত করা যায়। বিচার যদি বিচারের জায়গায় না থাকে, তাহলে কোনো কিছুরই কোনো সমাধান করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, স্রোতের বিপরীতে গিয়ে যারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দাঁড়াচ্ছেন, তাদের কারও ঋণ আমরা শোধ করতে পারবো না। তাদের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ জামায়াতে ইসলামী।

পলিসি সামিটে আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান, কসোভো, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ব্রুনাই, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, ডেনমার্ক, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, ইরান, কানাডা, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, লিবিয়া, আলজেরিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল, জাতিসংঘ, ইউএনডিপি, আইআরআইসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিবিদগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ক্ষমতায় গেলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা কোনো বৈধ সুবিধাও প্রয়োজন ছাড়া নেবে না: শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০২:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ক্ষমতায় গেলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা কোনো বৈধ সুবিধাও প্রয়োজন ছাড়া নেবে না বলে জানিয়েছেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে ন্যায়বিচারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পদ-পদবি দেখে কারো বিচার করা হবে না।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত পলিসি সামিটে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশটাকে লুটেপুটে খেয়ে একদল হাড্ডিসার করে রেখেছে। আমরা এই অবস্থান থেকেই উন্নত বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাবো। দেশ ভালো থাকলে আমরা সবাই ভালো থাকবো। তরুণেরা ‘২৪-এ দেশের পাল ঘুরিয়ে দিয়েছে। আগামী নির্বাচনেও তারাই পাল ঘুরিয়ে দেবে।

যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমাদের কাজ শেষ হয়নি, এখনই শুরু। তোমরা একটা স্বৈরাচার দেশ থেকে তাড়িয়েছো, কিন্তু স্বৈরাচারী মানসিকতা দেশ থেকে এখনো যায়নি। এটাকে নির্মূল না করা পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত থাকবে। আর আমরাও তোমাদের সাথে থাকবো, পাশে থাকবো, পিছে নয়।
জামায়াত আমির বলেন, দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি, খুন, রাহাজানি, হত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, গুম—সবকিছু নির্মূল হবে যদি সব ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত করা যায়। বিচার যদি বিচারের জায়গায় না থাকে, তাহলে কোনো কিছুরই কোনো সমাধান করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, স্রোতের বিপরীতে গিয়ে যারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দাঁড়াচ্ছেন, তাদের কারও ঋণ আমরা শোধ করতে পারবো না। তাদের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ জামায়াতে ইসলামী।

পলিসি সামিটে আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান, কসোভো, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ব্রুনাই, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, ডেনমার্ক, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, ইরান, কানাডা, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, লিবিয়া, আলজেরিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল, জাতিসংঘ, ইউএনডিপি, আইআরআইসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিবিদগণ উপস্থিত ছিলেন।