ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

জামিন পাননি ব্যারিস্টার সুমন, ভাইরাল ছবি নিয়ে যা জানা গেল

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্যারিস্টার সুমন জামিন পেয়েছেন এমন দাবিতে সম্প্রতি ফেসবুকে বেশ কিছু পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। এসব পোস্টের সঙ্গে ব্যারিস্টার সুমনের কিছু ছবিও যুক্ত করা হয়েছে। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে সংবাদমাধ্যম সূত্রে তার জামিনের খবর পাওয়া যায়নি এবং ছবিগুলো এআই দিয়ে বানানো অথবা পুরনো।

হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ওরফে ব্যারিস্টার সুমন গ্রেপ্তার হন ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর।

পুলিশ জানায়, বোনের বাসায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় রাজধানীর মিরপুর ৬ নম্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই সময় দেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যমে এটি একটি আলোচিত খবর ছিল।
এ বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি সামাজিক মাধ্যমে তার জামিন হয়েছে মর্মে কিছু ফেসবুক পোস্ট ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। এই সূত্র ধরে মূলধারার সংবাদমাধ্যমে অনুসন্ধান করে এ সংক্রান্ত কোনো প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত বছরের জানুয়ারিতে ; বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুর থানার দুই হত্যাচেষ্টা ও খিলগাঁও থানার এক হত্যা মামলায় হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।

আরও অনুসন্ধানে ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ইত্তেফাকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কারাগারে থেকেই আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন ব্যারিস্টার সুমন।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোর সঙ্গে জেলখানার গেটে গলায় ফুলের মালা দেওয়া ব্যারিস্টার সুমনের যে ছবিটি ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ছবিতে থাকা দুটি ব্যানারে বানান বিভ্রাট রয়েছে। এ ধরনের বিভ্রাট এআই দিয়ে বানানো ছবিতে দেখা যায়।

এ ছাড়া, এআই শনাক্তকারী টুল হাইভ মডারেশন দিয়ে সেটিকে ১০০% কৃত্রিম হওয়ার সম্ভাবনা পাওয়া যায়। কাজেই জামিন পাওয়ার পর তাকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানানোর ইঙ্গিত সত্য নয়।
সবদিক পর্যালোচনা করে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন হওয়ার দাবিটির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। ফলে সঙ্গত কারণে, ভিত্তিহীন এ ধরনের ফেসবুক পোস্টগুলোকে মিথ্যা সাব্যস্ত করছে ফ্যাক্টওয়াচ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জামিন পাননি ব্যারিস্টার সুমন, ভাইরাল ছবি নিয়ে যা জানা গেল

আপডেট সময় : ০৯:৩২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্যারিস্টার সুমন জামিন পেয়েছেন এমন দাবিতে সম্প্রতি ফেসবুকে বেশ কিছু পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। এসব পোস্টের সঙ্গে ব্যারিস্টার সুমনের কিছু ছবিও যুক্ত করা হয়েছে। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে সংবাদমাধ্যম সূত্রে তার জামিনের খবর পাওয়া যায়নি এবং ছবিগুলো এআই দিয়ে বানানো অথবা পুরনো।

হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ওরফে ব্যারিস্টার সুমন গ্রেপ্তার হন ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর।

পুলিশ জানায়, বোনের বাসায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় রাজধানীর মিরপুর ৬ নম্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই সময় দেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যমে এটি একটি আলোচিত খবর ছিল।
এ বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি সামাজিক মাধ্যমে তার জামিন হয়েছে মর্মে কিছু ফেসবুক পোস্ট ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। এই সূত্র ধরে মূলধারার সংবাদমাধ্যমে অনুসন্ধান করে এ সংক্রান্ত কোনো প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত বছরের জানুয়ারিতে ; বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুর থানার দুই হত্যাচেষ্টা ও খিলগাঁও থানার এক হত্যা মামলায় হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।

আরও অনুসন্ধানে ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ইত্তেফাকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কারাগারে থেকেই আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন ব্যারিস্টার সুমন।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোর সঙ্গে জেলখানার গেটে গলায় ফুলের মালা দেওয়া ব্যারিস্টার সুমনের যে ছবিটি ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ছবিতে থাকা দুটি ব্যানারে বানান বিভ্রাট রয়েছে। এ ধরনের বিভ্রাট এআই দিয়ে বানানো ছবিতে দেখা যায়।

এ ছাড়া, এআই শনাক্তকারী টুল হাইভ মডারেশন দিয়ে সেটিকে ১০০% কৃত্রিম হওয়ার সম্ভাবনা পাওয়া যায়। কাজেই জামিন পাওয়ার পর তাকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানানোর ইঙ্গিত সত্য নয়।
সবদিক পর্যালোচনা করে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন হওয়ার দাবিটির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। ফলে সঙ্গত কারণে, ভিত্তিহীন এ ধরনের ফেসবুক পোস্টগুলোকে মিথ্যা সাব্যস্ত করছে ফ্যাক্টওয়াচ।