ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

তেলের দাম নিয়ে বড় সুখবর

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য চুক্তির খবরে বিশ্ববাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তেলের দাম কমেছে, পাশাপাশি ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বিশ্বের বড় বড় শেয়ারবাজার।

বুধবার প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন ও তেহরান যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। এরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলার থেকে নেমে ৯৭ ডলারে চলে আসে। পরে কিছুটা বেড়ে তা ১০১ ডলারের ওপরে ওঠে।

একই সঙ্গে ইউরোপ ও এশিয়ার শেয়ারবাজারেও বড় উত্থান দেখা যায়। লন্ডনের এফটিএসই ১০০ সূচক এবং জার্মানির ড্যাক্স এবং ফ্রান্সের ক্যাক ৪০ সূচক শক্ত অবস্থানে দিন শেষ করে। যুক্তরাষ্ট্রের এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকও ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

বুধবার এশিয়ার প্রধান বাজারগুলো সবকটিই ঊর্ধ্বমুখী ছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি ৬.৪৫ শতাংশ, হংকংয়ের হ্যাং সেং ১.২২ শতাংশ এবং জাপানের নিক্কেই ০.৩৮ শতাংশ বেড়ে দিন শেষ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য সমঝোতায় যুদ্ধ বন্ধের পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয় থাকতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হরমুজ প্রণালি।

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ এই পথ দিয়ে যায়। যুদ্ধের কারণে সেখানে পরিবহন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে।

তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ ইঙ্গিত দিয়েছেন, সমঝোতা এখনো নিশ্চিত নয়। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে আরো বড় হামলা হতে পারে।এদিকে ইরানও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব এখনো পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি যে ৭০ ডলারের কাছাকাছি ছিল। এই যুদ্ধের ফলে ওই অঞ্চলে তেল উৎপাদন ও পরিবহন ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

সাধারণত বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস চালানের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে, যা কয়েক সপ্তাহ ধরে কার্যত বন্ধ রয়েছে। সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বব্যাপী গ্যাসের দামও ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তেলের দাম নিয়ে বড় সুখবর

আপডেট সময় : ০৫:৩২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য চুক্তির খবরে বিশ্ববাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তেলের দাম কমেছে, পাশাপাশি ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বিশ্বের বড় বড় শেয়ারবাজার।

বুধবার প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন ও তেহরান যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। এরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলার থেকে নেমে ৯৭ ডলারে চলে আসে। পরে কিছুটা বেড়ে তা ১০১ ডলারের ওপরে ওঠে।

একই সঙ্গে ইউরোপ ও এশিয়ার শেয়ারবাজারেও বড় উত্থান দেখা যায়। লন্ডনের এফটিএসই ১০০ সূচক এবং জার্মানির ড্যাক্স এবং ফ্রান্সের ক্যাক ৪০ সূচক শক্ত অবস্থানে দিন শেষ করে। যুক্তরাষ্ট্রের এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকও ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

বুধবার এশিয়ার প্রধান বাজারগুলো সবকটিই ঊর্ধ্বমুখী ছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি ৬.৪৫ শতাংশ, হংকংয়ের হ্যাং সেং ১.২২ শতাংশ এবং জাপানের নিক্কেই ০.৩৮ শতাংশ বেড়ে দিন শেষ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য সমঝোতায় যুদ্ধ বন্ধের পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয় থাকতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হরমুজ প্রণালি।

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ এই পথ দিয়ে যায়। যুদ্ধের কারণে সেখানে পরিবহন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে।

তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ ইঙ্গিত দিয়েছেন, সমঝোতা এখনো নিশ্চিত নয়। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে আরো বড় হামলা হতে পারে।এদিকে ইরানও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব এখনো পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি যে ৭০ ডলারের কাছাকাছি ছিল। এই যুদ্ধের ফলে ওই অঞ্চলে তেল উৎপাদন ও পরিবহন ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

সাধারণত বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস চালানের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে, যা কয়েক সপ্তাহ ধরে কার্যত বন্ধ রয়েছে। সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বব্যাপী গ্যাসের দামও ব্যাপকভাবে বেড়েছে।