ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাবেক স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই সচিবালয়ে আইন উপদেষ্টা

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৭১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যেহেতু স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারদের মধ্যে একজন নিখোঁজ আর আরেকজন জেলে আছেন এবং তারা পদত্যাগও করেছেন তাই তাদের দ্বারা নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের সামনে দুটি অপশন আছে। রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াতে পারবেন। উদাহরণ হিসেবে হয়তো আমাদের প্রধান বিচারপতি হতে পারেন। এটা যদি না হয়, তাহলে আমাদের যিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছেন, তিনিই শপথ পড়াবেন। সে ক্ষেত্রে একটা সমস্যা আছে, তিনদিন অপেক্ষা করতে হবে। আমরা অপেক্ষা করতে চাই না, আমরা নির্বাচন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথগ্রহণের ব্যবস্থা করতে চাই।

আইন উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নতুন যারা সংসদ সদস্য হবেন ১২ ফেব্রুয়ারি ইলেকশনের পর তাদের শপথ পাঠ করানোর কথা হচ্ছে স্পিকারের। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। তারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে। এখন আমাদের এখানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ, আরেকজন জেলে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে এবং তারা পদত্যাগও করেছেন, বিশেষ করে স্পিকার। ফলে এই অবস্থায় তাদের দ্বারা শপথ পাঠ করানোর সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮(১) একং ১৪৮(২) অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে, স্পিকার অথবা স্পিকারের মনোনীত কোনো ব্যক্তি নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াতে পারবেন। বর্তমানে যেহেতু স্পিকার না থাকায় সে অনুযায়ী শপথ পড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে সংবিধানের ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তিও যদি গেজেট প্রকাশের পর তিন দিনের মধ্যে এমপিদের শপথ পাঠ না করান, তাহলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন।

এছাড়া সংবিধানের তফসিল-৩ অনুযায়ী যদি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার দায়িত্বে না থাকেন তাহলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাবেক স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই সচিবালয়ে আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০২:২৭:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যেহেতু স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারদের মধ্যে একজন নিখোঁজ আর আরেকজন জেলে আছেন এবং তারা পদত্যাগও করেছেন তাই তাদের দ্বারা নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের সামনে দুটি অপশন আছে। রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পড়াতে পারবেন। উদাহরণ হিসেবে হয়তো আমাদের প্রধান বিচারপতি হতে পারেন। এটা যদি না হয়, তাহলে আমাদের যিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছেন, তিনিই শপথ পড়াবেন। সে ক্ষেত্রে একটা সমস্যা আছে, তিনদিন অপেক্ষা করতে হবে। আমরা অপেক্ষা করতে চাই না, আমরা নির্বাচন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথগ্রহণের ব্যবস্থা করতে চাই।

আইন উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নতুন যারা সংসদ সদস্য হবেন ১২ ফেব্রুয়ারি ইলেকশনের পর তাদের শপথ পাঠ করানোর কথা হচ্ছে স্পিকারের। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। তারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে। এখন আমাদের এখানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ, আরেকজন জেলে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে এবং তারা পদত্যাগও করেছেন, বিশেষ করে স্পিকার। ফলে এই অবস্থায় তাদের দ্বারা শপথ পাঠ করানোর সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮(১) একং ১৪৮(২) অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে, স্পিকার অথবা স্পিকারের মনোনীত কোনো ব্যক্তি নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াতে পারবেন। বর্তমানে যেহেতু স্পিকার না থাকায় সে অনুযায়ী শপথ পড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে সংবিধানের ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তিও যদি গেজেট প্রকাশের পর তিন দিনের মধ্যে এমপিদের শপথ পাঠ না করান, তাহলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন।

এছাড়া সংবিধানের তফসিল-৩ অনুযায়ী যদি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার দায়িত্বে না থাকেন তাহলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন।