ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের শঙ্কা

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যেপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে জ্বালানিতে। এতে সংকট দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলে, একই সঙ্গে ব্যহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। দেশের চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। এতে বাড়তে পারে লোডশেডিং।

সরকারের পক্ষ থেকে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমলসহ দোকাপাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) এক অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গ্যাস সরবরাহ যদি ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে আসে, তবে উৎপাদন সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াটের নিচে নেমে যেতে পারে।

পিডিবির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জ্বালানির সরবরাহ স্থিতিশীল থাকলেও এপ্রিলে-মে মাসে দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। আর এর বিপরীতে মোট উৎপাদন হতে পারে মাত্র ১৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।
গতকাল শনিবার সরকারি ছুটির দিনে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট। এদিন দিনের বেলা ৭০০ মেগাওয়াট হলেও রাতে এক পর্যায়ে ১০০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছিল।

ঢাকা শহরের চেয়ে গ্রামে লোডশেডিং বেশি।
মার্চের শুরুতে দেশে প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল। লম্বা ঈদের ছুটিতে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকায় তা কিছুটা কমে এলেও এখন আবার লোডশেডিং বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এবং তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকলে বিদ্যুৎব্যবস্থায় অতটা চাপ পড়বে না। তবে বৃষ্টিপাত না হলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে এপ্রিলে দেশে একাধিক তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। এতে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৮:২৭:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যেপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে জ্বালানিতে। এতে সংকট দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলে, একই সঙ্গে ব্যহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। দেশের চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। এতে বাড়তে পারে লোডশেডিং।

সরকারের পক্ষ থেকে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমলসহ দোকাপাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) এক অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গ্যাস সরবরাহ যদি ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে আসে, তবে উৎপাদন সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াটের নিচে নেমে যেতে পারে।

পিডিবির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জ্বালানির সরবরাহ স্থিতিশীল থাকলেও এপ্রিলে-মে মাসে দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। আর এর বিপরীতে মোট উৎপাদন হতে পারে মাত্র ১৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।
গতকাল শনিবার সরকারি ছুটির দিনে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট। এদিন দিনের বেলা ৭০০ মেগাওয়াট হলেও রাতে এক পর্যায়ে ১০০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছিল।

ঢাকা শহরের চেয়ে গ্রামে লোডশেডিং বেশি।
মার্চের শুরুতে দেশে প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল। লম্বা ঈদের ছুটিতে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকায় তা কিছুটা কমে এলেও এখন আবার লোডশেডিং বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এবং তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে থাকলে বিদ্যুৎব্যবস্থায় অতটা চাপ পড়বে না। তবে বৃষ্টিপাত না হলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে এপ্রিলে দেশে একাধিক তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। এতে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।