ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

প্রশাসন নিরপেক্ষ না হলে ফের ‘৫ আগস্ট’র হুঁশিয়ারি রুমিন ফারহানার

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ১০৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নির্বাচনে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বা কোনো ঘাটতি দেখা দিলে যেকোনো আসনে ‘৫ আগস্টে’র মতো গণ-অভ্যুত্থানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি প্রশাসন ও সরকারকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানান।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের চাঁনপুর বাজার এলাকায় এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশে একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসছে। আমার আসনের প্রায় পাঁচ লাখ ভোটারের প্রত্যেকেই যেন নিরাপদে, নিশ্চিন্তে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।”

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই না কোনো দলের প্রার্থী বা কর্মীরা অন্য কাউকে ভয়ভীতি দেখাক। পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

প্রশাসনের প্রতি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, “আমি প্রশাসন ও সরকারকে অনুরোধ করব তারা যেন পুরোপুরি নিরপেক্ষ থাকে। যদি নিরপেক্ষতার কোনো ঘাটতি দেখা দেয়, তাহলে ৫ আগস্টের কথা সবাই স্মরণে রাখবেন। সারা বাংলাদেশে যে ৫ আগস্ট হয়েছিল, সেটি কিন্তু যেকোনো আসনেই হতে পারে। প্রশাসনকে বলব–আইনের ভেতরে থেকে কাজ করুন। কোনো প্রার্থীকে ‘ডান চোখে’ আর কাউকে ‘বাম চোখে’ দেখবেন না। আইন যেন সবার জন্য সমান হয়।”উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এর আগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রুমিন ফারহানার একটি সমাবেশ বন্ধ করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তার এক সমর্থককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ওই ঘটনায় দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাকবিতণ্ডা ও ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

নির্বাচনি মাঠের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই প্রশাসনের প্রতি এমন কড়া বার্তা দিলেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এর আগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রুমিন ফারহানার একটি সমাবেশ বন্ধ করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তার এক সমর্থককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ওই ঘটনায় দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাকবিতণ্ডা ও ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

নির্বাচনি মাঠের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই প্রশাসনের প্রতি এমন কড়া বার্তা দিলেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রশাসন নিরপেক্ষ না হলে ফের ‘৫ আগস্ট’র হুঁশিয়ারি রুমিন ফারহানার

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বা কোনো ঘাটতি দেখা দিলে যেকোনো আসনে ‘৫ আগস্টে’র মতো গণ-অভ্যুত্থানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি প্রশাসন ও সরকারকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানান।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের চাঁনপুর বাজার এলাকায় এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশে একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসছে। আমার আসনের প্রায় পাঁচ লাখ ভোটারের প্রত্যেকেই যেন নিরাপদে, নিশ্চিন্তে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।”

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই না কোনো দলের প্রার্থী বা কর্মীরা অন্য কাউকে ভয়ভীতি দেখাক। পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

প্রশাসনের প্রতি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, “আমি প্রশাসন ও সরকারকে অনুরোধ করব তারা যেন পুরোপুরি নিরপেক্ষ থাকে। যদি নিরপেক্ষতার কোনো ঘাটতি দেখা দেয়, তাহলে ৫ আগস্টের কথা সবাই স্মরণে রাখবেন। সারা বাংলাদেশে যে ৫ আগস্ট হয়েছিল, সেটি কিন্তু যেকোনো আসনেই হতে পারে। প্রশাসনকে বলব–আইনের ভেতরে থেকে কাজ করুন। কোনো প্রার্থীকে ‘ডান চোখে’ আর কাউকে ‘বাম চোখে’ দেখবেন না। আইন যেন সবার জন্য সমান হয়।”উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এর আগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রুমিন ফারহানার একটি সমাবেশ বন্ধ করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তার এক সমর্থককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ওই ঘটনায় দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাকবিতণ্ডা ও ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

নির্বাচনি মাঠের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই প্রশাসনের প্রতি এমন কড়া বার্তা দিলেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এর আগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রুমিন ফারহানার একটি সমাবেশ বন্ধ করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তার এক সমর্থককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ওই ঘটনায় দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাকবিতণ্ডা ও ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

নির্বাচনি মাঠের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই প্রশাসনের প্রতি এমন কড়া বার্তা দিলেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।