ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন, জামায়াতের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’-এর ডাক হেফাজত আমিরের

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৭২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনের নির্বাচনী মাঠে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী। জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’-এর ঘোষণা দিয়ে এবং বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে প্রকাশ্যে সমর্থনের পর তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যেমন আলোচনার ঝড় উঠেছে, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাজীরহাট বড় মাদ্রাসায় বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বুখারী শরীফ খতম উপলক্ষে আয়োজিত এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী। বক্তব্যে তিনি জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কঠোর ভাষা ব্যবহার করেন এবং বলেন, তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াকে তিনি ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে তিনি মুসলমানদের উদ্দেশে আহ্বান জানান জামায়াতকে ভোট দেওয়া হারাম কোনোভাবেই জায়েজ নয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. সরোয়ার আলমগীর। তাকে সামনে রেখে বাবুনগরী তার অবস্থান আরও স্পষ্ট করেন, যা মুহূর্তেই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বক্তব্য প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়ার ঢল নামে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত সংবাদের মন্তব্য ঘরে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক। কিছু ব্যবহারকারী তার বক্তব্যকে সমর্থন জানালেও বেশির ভাগ মন্তব্যে এ ধরনের ভাষা ও রাজনৈতিক অবস্থানের বিরোধিতা করা হয়েছে। অনেকে এটিকে নির্বাচনী পরিবেশের জন্য উত্তেজনাকর বলে আখ্যা দিয়েছেন, আবার কেউ কেউ ধর্মীয় বক্তব্যকে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, হেফাজত আমিরের এই বক্তব্য চট্টগ্রাম–২ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন হিসাব যোগ করেছে। বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং সামনে প্রচার–প্রচারণায় এর প্রভাব পড়তে পারে বলেও অনেকে মনে করছেন।

এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষগুলোর তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন, জামায়াতের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’-এর ডাক হেফাজত আমিরের

আপডেট সময় : ০৬:০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনের নির্বাচনী মাঠে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী। জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’-এর ঘোষণা দিয়ে এবং বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে প্রকাশ্যে সমর্থনের পর তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যেমন আলোচনার ঝড় উঠেছে, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাজীরহাট বড় মাদ্রাসায় বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বুখারী শরীফ খতম উপলক্ষে আয়োজিত এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী। বক্তব্যে তিনি জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কঠোর ভাষা ব্যবহার করেন এবং বলেন, তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াকে তিনি ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে তিনি মুসলমানদের উদ্দেশে আহ্বান জানান জামায়াতকে ভোট দেওয়া হারাম কোনোভাবেই জায়েজ নয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. সরোয়ার আলমগীর। তাকে সামনে রেখে বাবুনগরী তার অবস্থান আরও স্পষ্ট করেন, যা মুহূর্তেই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বক্তব্য প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়ার ঢল নামে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত সংবাদের মন্তব্য ঘরে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক। কিছু ব্যবহারকারী তার বক্তব্যকে সমর্থন জানালেও বেশির ভাগ মন্তব্যে এ ধরনের ভাষা ও রাজনৈতিক অবস্থানের বিরোধিতা করা হয়েছে। অনেকে এটিকে নির্বাচনী পরিবেশের জন্য উত্তেজনাকর বলে আখ্যা দিয়েছেন, আবার কেউ কেউ ধর্মীয় বক্তব্যকে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, হেফাজত আমিরের এই বক্তব্য চট্টগ্রাম–২ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন হিসাব যোগ করেছে। বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং সামনে প্রচার–প্রচারণায় এর প্রভাব পড়তে পারে বলেও অনেকে মনে করছেন।

এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষগুলোর তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।