ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বেকার ভাতা দিয়ে যুবসমাজকে অপমান করতে চাই না : জামায়াত আমির

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যুবসমাজ, আমরা তোমাদের হাতে বেকার ভাতা তুলে দিতে পারব না। বেকার ভাতা তুলে দিয়ে তোমাদেরকে অপমানিত করতে চাই না। তোমাদের প্রত্যেকটা হাতকে দেশ গড়ার কারিগরের হাতে পরিণত করতে চাই, তোমাদের হাতে আমরা মর্যাদার কাজ তুলে দিতে চাই। সেদিন প্রত্যেকটা যুবক যুবতী দাঁড়িয়ে নিজের বুকের দিকে ইশারা করবে; আমিই বাংলাদেশ, এ দেশ আমার, এ দেশ আমি গড়ব।

এ দেশ আমাকে যা দিবে আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু আমি আমার সবকিছু উজাড় করে এই দেশকে দেব।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনী শহরের পাইলট স্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কেউ কেউ মনে করে জামায়াত ক্ষমতায় এলে মা-বোনদের বাইরে বের হতে দেওয়া হবে না।

আমাদেরও স্ত্রী আছে, সন্তান আছে, বোন আছে, তারা কি বাইরে বের হয় না? দেশের সেবায় অংশ নেয় না? দেশের সকল মা-বোনকে দেশের সেবায় নিয়োজিত হতে সহায়তা করা হবে, সমর্থন দেওয়া হবে।
নির্বাচনি জনসভায় ফেনীতে মেডিকেল কলেজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা ঘোষণা দিচ্ছি ১৮ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশের কোনো জেলা মেডিকেল কলেজ থেকে বঞ্চিত হবে না এবং এটি হবে সরকারি মেডিকেল কলেজ। আল্লাহ যদি দেশবাসীর সেবা করার তৌফিক আমাদেরকে দেন, ইনশাআল্লাহ, ফেনী তার পাওনা পেয়ে গর্বিত হবে।

ফেনীবাসীকে আশ্বস্ত করে জামায়াত আমির বলেন, এখানে যে বাঁধটির কারণে আপনাদের দুঃখ, সে বাঁধ এখনও নির্মাণ হয়নি।

আমরা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করে এর সমাধান খুঁজে বের করব, ইনশাআল্লাহ। কারণ, আমার দেশ রক্ষা করার অধিকার আমার। এই দায়িত্ব আমাকে নিতেই হবে। এই দায়িত্ব অগ্রাহ্য করে আমরা চলতে পারব না।
তিনি বলেন, ফেনীতে মানসম্মত কোনো স্টেডিয়াম নেই।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফেনীর বিশেষ অবদান আছে। এই জেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ দেশের বাইরে থাকেন। ফেনীবাসীকে তাদের পাওনা দেবই, ইনশাআল্লাহ। ফেনী স্টেডিয়ামকে মানসম্মত ও আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে নির্মাণ করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে জামায়াত আমির বলেন, আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। তিনি দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের ব্যাপারে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিলেন। আধিপত্যবাদকে তিনি প্রশ্রয় দেন নাই। এই জায়গায় তাকে আমরা অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুকরিয়া জানাই, অভিনন্দন জানাই।

তিনি বলেন, একদম মিলেমিশে একাকার হয়ে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, দুর্নীতি-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে, মামলা বাণিজ্যের বিরুদ্ধে, মা-বোনদের গায়ে হাত তোলার বিরুদ্ধে, যুব সমাজের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়তে হবে। এই বাংলাদেশ যারা গড়তে অঙ্গীকারাবদ্ধ, তাদের হাতেই আমরা ৩০০ আসনে মার্কা তুলে দিয়েছি। এই মার্কা হচ্ছে স্বাধীনতা রক্ষার মার্কা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মার্কা, দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মার্কা, এই মার্কার সঙ্গে আপনারা সবাই আছেন, এই আপনারা থাকলে হয়ে যাবে। যারা দেশকে ভালোবাসে, আমরা বিশ্বাস করি তারা ১২ তারিখ প্রথম ভোটটা দিবেন হ্যাঁ তে, হ্যাঁ বিজয়ী হলে বাকি ভোটের মূল্যায়ন হবে। হ্যাঁ পরাজিত হলে বাকি ভোটের মূল্যায়ন হবে না। হ্যাঁ, মানে আজাদি, না মানে গোলামী। আর দ্বিতীয় ভোট হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের হেফাজত কায়েমের পক্ষে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বেকার ভাতা দিয়ে যুবসমাজকে অপমান করতে চাই না : জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যুবসমাজ, আমরা তোমাদের হাতে বেকার ভাতা তুলে দিতে পারব না। বেকার ভাতা তুলে দিয়ে তোমাদেরকে অপমানিত করতে চাই না। তোমাদের প্রত্যেকটা হাতকে দেশ গড়ার কারিগরের হাতে পরিণত করতে চাই, তোমাদের হাতে আমরা মর্যাদার কাজ তুলে দিতে চাই। সেদিন প্রত্যেকটা যুবক যুবতী দাঁড়িয়ে নিজের বুকের দিকে ইশারা করবে; আমিই বাংলাদেশ, এ দেশ আমার, এ দেশ আমি গড়ব।

এ দেশ আমাকে যা দিবে আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু আমি আমার সবকিছু উজাড় করে এই দেশকে দেব।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনী শহরের পাইলট স্কুল মাঠে আয়োজিত জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কেউ কেউ মনে করে জামায়াত ক্ষমতায় এলে মা-বোনদের বাইরে বের হতে দেওয়া হবে না।

আমাদেরও স্ত্রী আছে, সন্তান আছে, বোন আছে, তারা কি বাইরে বের হয় না? দেশের সেবায় অংশ নেয় না? দেশের সকল মা-বোনকে দেশের সেবায় নিয়োজিত হতে সহায়তা করা হবে, সমর্থন দেওয়া হবে।
নির্বাচনি জনসভায় ফেনীতে মেডিকেল কলেজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা ঘোষণা দিচ্ছি ১৮ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশের কোনো জেলা মেডিকেল কলেজ থেকে বঞ্চিত হবে না এবং এটি হবে সরকারি মেডিকেল কলেজ। আল্লাহ যদি দেশবাসীর সেবা করার তৌফিক আমাদেরকে দেন, ইনশাআল্লাহ, ফেনী তার পাওনা পেয়ে গর্বিত হবে।

ফেনীবাসীকে আশ্বস্ত করে জামায়াত আমির বলেন, এখানে যে বাঁধটির কারণে আপনাদের দুঃখ, সে বাঁধ এখনও নির্মাণ হয়নি।

আমরা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করে এর সমাধান খুঁজে বের করব, ইনশাআল্লাহ। কারণ, আমার দেশ রক্ষা করার অধিকার আমার। এই দায়িত্ব আমাকে নিতেই হবে। এই দায়িত্ব অগ্রাহ্য করে আমরা চলতে পারব না।
তিনি বলেন, ফেনীতে মানসম্মত কোনো স্টেডিয়াম নেই।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফেনীর বিশেষ অবদান আছে। এই জেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ দেশের বাইরে থাকেন। ফেনীবাসীকে তাদের পাওনা দেবই, ইনশাআল্লাহ। ফেনী স্টেডিয়ামকে মানসম্মত ও আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে নির্মাণ করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে জামায়াত আমির বলেন, আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। তিনি দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের ব্যাপারে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিলেন। আধিপত্যবাদকে তিনি প্রশ্রয় দেন নাই। এই জায়গায় তাকে আমরা অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুকরিয়া জানাই, অভিনন্দন জানাই।

তিনি বলেন, একদম মিলেমিশে একাকার হয়ে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, দুর্নীতি-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে, মামলা বাণিজ্যের বিরুদ্ধে, মা-বোনদের গায়ে হাত তোলার বিরুদ্ধে, যুব সমাজের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়তে হবে। এই বাংলাদেশ যারা গড়তে অঙ্গীকারাবদ্ধ, তাদের হাতেই আমরা ৩০০ আসনে মার্কা তুলে দিয়েছি। এই মার্কা হচ্ছে স্বাধীনতা রক্ষার মার্কা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মার্কা, দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মার্কা, এই মার্কার সঙ্গে আপনারা সবাই আছেন, এই আপনারা থাকলে হয়ে যাবে। যারা দেশকে ভালোবাসে, আমরা বিশ্বাস করি তারা ১২ তারিখ প্রথম ভোটটা দিবেন হ্যাঁ তে, হ্যাঁ বিজয়ী হলে বাকি ভোটের মূল্যায়ন হবে। হ্যাঁ পরাজিত হলে বাকি ভোটের মূল্যায়ন হবে না। হ্যাঁ, মানে আজাদি, না মানে গোলামী। আর দ্বিতীয় ভোট হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের হেফাজত কায়েমের পক্ষে।