ঢাকা ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

‘ভুয়া ডা. পদবি’ ব্যবহারের অভিযোগে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৬৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নির্বাচনী প্রচারণায় ভুয়া ‘ডা. পদবি’ ব্যবহারের অভিযোগে ফেনী-৩ আসনের (সোনাগাজী-দাগনভুঁঞা) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তবে জামায়াতের এ প্রার্থীর দাবি, সম্মানহানির জন্য এমনটি করা হচ্ছে। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন কোর্স শেষে নামের আগে ডাক্তার (ডা.) পদবি লেখা আইন দ্বারা স্বীকৃত।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপালনকারী যুগ্ম জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল) সাজ্জাতুন নেছা এ নোটিশ দেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে তার নামের পূর্বে ডা. পদবি ব্যবহার করছেন। কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ডা. পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন। এছাড়া এম বি বি এস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নোটিশে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া মেলেনি।

তবে ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াতের এ প্রার্থী দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার এবং সম্মানহানি অপচেষ্টা।

তার দাবি, বি. এইচ. এম. এস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি) ৫ বছরের কোর্স এবং ১ বছর ইন্টার্নশিপ। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন কোর্স শেষে নামের আগে ডাক্তার (ডা.) পদবি লেখা আইন দ্বারা স্বীকৃত। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি প্রদান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টি, যার অধীভুক্ত (এম. বি. বি এস এবং বি.ডি.এস কোর্স) বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।

ডা. পদবি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা কাউন্সিল ২০২৩ দ্বারা স্বীকৃত উল্লেখ করে স্ট্যাটাসে বলা হয়, বিগত সংসদে তা পাস হয়েছিল ও গেজেট আকারে প্রকাশিত । এ বিষয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে যারা মামলা করেছিল, সেই মামলার কার্যক্রম ও স্থগিত করা হয়েছে। হলফনামায় আমার সার্টিফিকেট এবং রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ও সাবমিট করা হয়েছে। যেখানে পেশা হিসেবে চিকিৎসক পদবি উল্লেখ করা আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘ভুয়া ডা. পদবি’ ব্যবহারের অভিযোগে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

আপডেট সময় : ০৫:০০:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী প্রচারণায় ভুয়া ‘ডা. পদবি’ ব্যবহারের অভিযোগে ফেনী-৩ আসনের (সোনাগাজী-দাগনভুঁঞা) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তবে জামায়াতের এ প্রার্থীর দাবি, সম্মানহানির জন্য এমনটি করা হচ্ছে। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন কোর্স শেষে নামের আগে ডাক্তার (ডা.) পদবি লেখা আইন দ্বারা স্বীকৃত।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপালনকারী যুগ্ম জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল) সাজ্জাতুন নেছা এ নোটিশ দেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে তার নামের পূর্বে ডা. পদবি ব্যবহার করছেন। কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ডা. পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন। এছাড়া এম বি বি এস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নোটিশে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া মেলেনি।

তবে ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াতের এ প্রার্থী দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার এবং সম্মানহানি অপচেষ্টা।

তার দাবি, বি. এইচ. এম. এস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি) ৫ বছরের কোর্স এবং ১ বছর ইন্টার্নশিপ। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন কোর্স শেষে নামের আগে ডাক্তার (ডা.) পদবি লেখা আইন দ্বারা স্বীকৃত। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি প্রদান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টি, যার অধীভুক্ত (এম. বি. বি এস এবং বি.ডি.এস কোর্স) বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।

ডা. পদবি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা কাউন্সিল ২০২৩ দ্বারা স্বীকৃত উল্লেখ করে স্ট্যাটাসে বলা হয়, বিগত সংসদে তা পাস হয়েছিল ও গেজেট আকারে প্রকাশিত । এ বিষয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে যারা মামলা করেছিল, সেই মামলার কার্যক্রম ও স্থগিত করা হয়েছে। হলফনামায় আমার সার্টিফিকেট এবং রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ও সাবমিট করা হয়েছে। যেখানে পেশা হিসেবে চিকিৎসক পদবি উল্লেখ করা আছে।