এইচএসসিতে ৯২.৭৭ শতাংশ সফল কাতার বাংলাদেশ স্কুল
- আপডেট সময় : ০৭:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
কাতারের মাটিতে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৯২.৭৭ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। এমন অর্জনে শিক্ষক, অভিভাবক ও পরিচালনা পর্ষদ সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও সন্তোষ বিরাজ করছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, এবার বিজ্ঞান বিভাগে মোট ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, যার মধ্যে পাসের হার ৯৫ শতাংশ। এই বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে চারজন শিক্ষার্থী। এছাড়া জিপিএ-৪ বা তার বেশি পেয়েছে ১৭ জন এবং জিপিএ-৩-এর বেশি পেয়েছে ১৬ জন শিক্ষার্থী। বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা হলো মুহাম্মদ ওয়াদিস সাবা চৌধুরী, ইয়াছিন আরাফাত রাফিও, তাসনিমুল হাসান রাকিন ও মোঃ তামিম উল্লাহ। অন্যদিকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, যেখানে পাসের হার ৯১ শতাংশ।
করোনাকালীন বিরতির পর এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রবাস জীবনের নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। কঠোর অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং অভিভাবকদের নিরলস সহযোগিতা এই অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসাইন আহমদ এই সাফল্যের পেছনে কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ হযরত আলী খান এবং পরিচালনা পর্ষদের সঠিক দিকনির্দেশনাকে বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সুশৃঙ্খল শিক্ষার পরিবেশ, কলেজ প্রশাসনের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং অভিজ্ঞ শিক্ষকদের নিয়মিত তদারকি শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে সহায়তা করেছে। তিনি এই অর্জনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটিকে কাতারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে রূপান্তরের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রবাসে শুধু ভালো ফল নয়, বরং নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নির্মাণ এবং শিকড় ও সংস্কৃতির সঙ্গে তাদের সংযোগ রক্ষা করাও এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য। কমিউনিটির সদস্যদের মতে, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার চলমান এই প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি আগামী দিনে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে। বাংলাদেশের শিক্ষার মর্যাদা প্রবাসে সমুন্নত রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও স্কুলটি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
















