সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগ পুরোনো নিয়মেই, অধ্যাদেশ বাতিল
- আপডেট সময় : ০১:৪৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের বিধান এবং স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জারি করা অধ্যাদেশগুলো বাতিল করেছে জাতীয় সংসদ। এর ফলে বিচার বিভাগ আগের অবস্থায় ফিরছে, অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের আর কোনো আইন থাকছে না।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিরোধী দলের আপত্তি সত্ত্বেও সংসদে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল’ পাস করা হয়। এর মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা এসংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ বাতিল হচ্ছে।
তবে অধ্যাদেশের অধীনে ২৫ জন বিচারকের নিয়োগসহ যেসব ব্যবস্থা ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বৈধ বলে গণ্য হবে।
এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টসংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ এবং এর সংশোধনী অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই অধ্যাদেশের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত হবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে ন্যস্ত বাজেট, গৃহীত প্রকল্প ও কর্মসূচি সরকারের আইন ও বিচার বিভাগের কাছে হস্তান্তরিত হবে।
সেই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের জন্য সৃজিত পদগুলো বিলুপ্ত হবে।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের চাকরি আগে যে আইনে পরিচালিত হতো, আবার সে আইনের অধীনে ন্যস্ত ও পরিচালিত হবে।
এদিকে সংসদ অধিবেশনে আজ বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি গণবিরোধী বিল পাস হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এসব বিল পাসের প্রতিবাদে তার নেত্বত্বে বিরোধী জোটের এমপিরা অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নেতৃত্বে অধিবেশন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য বিরোধী দলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও যে কয়টি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে, আমরা তার দায় নিতে চাই না। তাই সংসদ থেকে ওয়াকাআউট করছি।’




















