ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

‘সুদ’ থেকে আয় নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন তাহেরি

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৭:০৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৮১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী আলোচিত ইসলামি বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরির হলফনামায় ব্যাংক সুদ থেকে আয়ের তথ্য নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন তিনি।

তাহেরি বলেন, এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপতথ্য ছড়িয়েছে। তিনি জানান, হলফনামায় “বন্ড, সঞ্চয়, আমানত ও ব্যাংক সুদ” একই কলামে থাকলেও সংবাদমাধ্যম শুধু “সুদ” শব্দটি তুলে ধরেছে।

একই সঙ্গে একাধিক বিষয় না রেখে আলাদা আলাদা কলাম রাখা উচিত ছিল নির্বাচন কমিশনের মনে করেন তাহেরি। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের আমি মনে করি নির্বাচন কমিশন একটু চিন্তাভাবনা করা উচিত ছিল যে, একই সাথে বন্ড, সঞ্চয় আমানত, সুদ, এগুলো একসাথে না রেখে যদি আলাদা আলাদা কলামে রাখত, তাহলে কিন্তু আমরা কোন প্রেক্ষাপটে টাকা জমা রেখেছি, আর কোন পারপাসে এখানে আসছে, সেটা আমরা ওই ঘরে উল্লেখ করে দিতাম।’

‘এখানে ৪-৫টা বিষয় দেওয়ার পরও কেবল সুদটাই তুলে নিয়ে আসলেন, এটা কোন খেলা আমি বুঝলাম না ভাই! ৩০০ আসনের প্রার্থী তো হলফনামায় এটা উল্লেখ করেছে! আমার তো মাত্র ২২ হাজার ছিল, এখানে তো ৫ লক্ষ, ৭০ হাজার, ৯০ হাজার অনেকের অনেক টাকা এখানে উল্লেখ আছে। আপনি তাদেরটা ধরলেন না, আমারটা ধরলেন!’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘সুদ’ থেকে আয় নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন তাহেরি

আপডেট সময় : ০৭:০৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী আলোচিত ইসলামি বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরির হলফনামায় ব্যাংক সুদ থেকে আয়ের তথ্য নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন তিনি।

তাহেরি বলেন, এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপতথ্য ছড়িয়েছে। তিনি জানান, হলফনামায় “বন্ড, সঞ্চয়, আমানত ও ব্যাংক সুদ” একই কলামে থাকলেও সংবাদমাধ্যম শুধু “সুদ” শব্দটি তুলে ধরেছে।

একই সঙ্গে একাধিক বিষয় না রেখে আলাদা আলাদা কলাম রাখা উচিত ছিল নির্বাচন কমিশনের মনে করেন তাহেরি। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের আমি মনে করি নির্বাচন কমিশন একটু চিন্তাভাবনা করা উচিত ছিল যে, একই সাথে বন্ড, সঞ্চয় আমানত, সুদ, এগুলো একসাথে না রেখে যদি আলাদা আলাদা কলামে রাখত, তাহলে কিন্তু আমরা কোন প্রেক্ষাপটে টাকা জমা রেখেছি, আর কোন পারপাসে এখানে আসছে, সেটা আমরা ওই ঘরে উল্লেখ করে দিতাম।’

‘এখানে ৪-৫টা বিষয় দেওয়ার পরও কেবল সুদটাই তুলে নিয়ে আসলেন, এটা কোন খেলা আমি বুঝলাম না ভাই! ৩০০ আসনের প্রার্থী তো হলফনামায় এটা উল্লেখ করেছে! আমার তো মাত্র ২২ হাজার ছিল, এখানে তো ৫ লক্ষ, ৭০ হাজার, ৯০ হাজার অনেকের অনেক টাকা এখানে উল্লেখ আছে। আপনি তাদেরটা ধরলেন না, আমারটা ধরলেন!’