নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান
- আপডেট সময় : ০৬:১০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ১১১ বার পড়া হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত।
____________________________________
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বুধবার (২১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত সভায় নির্বাচনের নিরাপত্তা ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলোচনা করা হয়।
সভায় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানকালীন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন থানা থেকে ৩ হাজার ৬১৯টি অস্ত্র লুট হয়েছিল। কঠোর অভিযানের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২৫৯টি অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, যা মোট লুট হওয়া অস্ত্রের ৬২.৪ শতাংশ।
লুট হওয়া গোলাবারুদ সম্পর্কেও তিনি জানান, ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪১৮ রাউন্ড গোলাবারুদ লুট হয়েছিল। এর মধ্যে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১০০ রাউন্ড উদ্ধার হয়েছে, যা মোট পরিমাণের ৫২ শতাংশ। অবশিষ্ট অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জাতীয়
নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩:২৬, ২১ জানুয়ারি ২০২৬
FacebookTwitterEmailWhatsAppLinkedInMessengerShare
নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান
ছবি: সংগৃহীত।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বুধবার (২১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত সভায় নির্বাচনের নিরাপত্তা ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলোচনা করা হয়।
সভায় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানকালীন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন থানা থেকে ৩ হাজার ৬১৯টি অস্ত্র লুট হয়েছিল। কঠোর অভিযানের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২৫৯টি অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, যা মোট লুট হওয়া অস্ত্রের ৬২.৪ শতাংশ।
লুট হওয়া গোলাবারুদ সম্পর্কেও তিনি জানান, ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪১৮ রাউন্ড গোলাবারুদ লুট হয়েছিল। এর মধ্যে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১০০ রাউন্ড উদ্ধার হয়েছে, যা মোট পরিমাণের ৫২ শতাংশ। অবশিষ্ট অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সভায় আশ্বস্ত করেন, নির্বাচনের সময় জনমনে স্বস্তি নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীসহ সব বাহিনী পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি বলেন, “গৃহীত পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে কার্যকর হলে দেশের মানুষ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার পাবেন।”
সভায় সশস্ত্র বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনী ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় প্রবেশ করতে পারবে। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, দায়িত্ব পালন করার সময় কোনোরূপ ঘাটতি থাকা যাবে না।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীরা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বিজিবি, র্যাব, কোস্টগার্ড এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা।
এ সময় নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানান, এবারের নির্বাচনে ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশগ্রহণ করছে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের জন্য আজ মধ্যরাত থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে।
















