মস্কোয় পুতিনের সাথে বৈঠকে ইরানের প্রেসিডেন্ট ও কাতারের আমির
- আপডেট সময় : ১১:০১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
মস্কোতে আয়োজিত ‘গ্যাস রফতানিকারক দেশগুলোর ফোরাম’ (জিইসিএফ) শীর্ষ সম্মেলনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনায় বসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই সম্মেলনের ফাঁকে মঙ্গলবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি—এই দুই নেতার সঙ্গে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন তিনি। সোমবার ২৫ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রেমলিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ এই বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ক্রেমলিন সূত্রে জানানো হয়েছে, জিইসিএফ শীর্ষ সম্মেলনের আতিথেয়তা দেওয়ার পর পুতিন এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনাগুলো করবেন। এসব উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র সংঘাতময় পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যুগুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমন ও ভূ-রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে এই বৈঠকগুলো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলের সাথে ইরানের সংঘাত তীব্রতর হওয়ার প্রেক্ষাপটে তেহরানের সঙ্গে মস্কোর সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পরিচিত কাতারের আমিরের সাথে পুতিনের আলোচনা আঞ্চলিক শান্তি ও জ্বালানি খাতের সহযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। ইরান ও কাতার উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রফতানিকারক দেশ হওয়ায় তাদের সঙ্গে পুতিনের এই সাক্ষাৎ বিশ্ব রাজনীতির নজর কেড়েছে।
জিইসিএফ সম্মেলনটি বিশ্ব জ্বালানি বাজারের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার একটি বড় মঞ্চ। তবে সেই মঞ্চের বাইরের এই ব্যক্তিগত ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনাগুলো আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। মস্কো-তেহরান সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরালো করার পাশাপাশি এই বৈঠক আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কী ধরনের বার্তা দেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।























