ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

মুচলেকা দিয়ে দিল্লি আদালতে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতে চলমান নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে আটক হওয়া অভিজিৎ দীপকেকে মুক্তি দিয়েছেন দিল্লির একটি আদালত। শনিবার (১৭ অক্টোবর) তাকে শর্তসাপেক্ষ জামিনের নির্দেশ প্রদান করা হয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, মুক্তি পেতে তাকে ৫০ হাজার রুপির মুচলেকা জমা দিতে হয়েছে। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় কনট প্লেসে আয়োজিত ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ নামক পদযাত্রার ঠিক আগমুহূর্তে তাকে পুলিশের প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। ভারতে নির্বাচনে জালিয়াতির বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে দিল্লির কনট প্লেসে আয়োজিত পদযাত্রায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে আটকের এক দিন পর মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। আর শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ করবেন না মর্মে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে শুনানি শেষে মন্দির মার্গ থানা থেকে বের হয়ে আসেন তিনি। সে সময় এক বছরের জন্য শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার মুচলেকায় সই দিয়ে মুক্তি পান তিনি।

অভিজিৎ দীপকে ছাড়াও শুক্রবার এআইএসএ-এর সভাপতি নেহা বোরাও আটক হয়েছিলেন। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর শনিবার ভোরেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে অভিজিৎ দীপকের পরিস্থিতি ছিল কিছুটা ভিন্ন। তাকে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারায় শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে নতুন একটি মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। এর আগেও গত ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দরে বিমানের ভেতর থেকে তাকে প্রথমবার আটক করা হয়েছিল এবং তখনও শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে আলাদা একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছিল। দীপকে ছাড়াও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাও ১৬ অক্টোবর (শুক্রবার) আটক হয়েছিলেন। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার ভোরে বোরাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

তবে পুলিশি বাধা ও ধরপাকড় সত্ত্বেও শিক্ষার্থী এবং অন্যান্য আন্দোলনকারীরা পতাকা হাতে ছোট ছোট পদযাত্রা বের করেছেন। অন্যদিকে, সিজেপির অপর দুই নেতা আশুতোষ রঙ্কা এবং সৌরভ দাস এখনো বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে। সব মিলিয়ে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একাধিক নেতার আটক হওয়া ও পরবর্তী আইনি জটিলতা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিশেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মুচলেকা দিয়ে দিল্লি আদালতে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ভারতে চলমান নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে আটক হওয়া অভিজিৎ দীপকেকে মুক্তি দিয়েছেন দিল্লির একটি আদালত। শনিবার (১৭ অক্টোবর) তাকে শর্তসাপেক্ষ জামিনের নির্দেশ প্রদান করা হয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, মুক্তি পেতে তাকে ৫০ হাজার রুপির মুচলেকা জমা দিতে হয়েছে। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় কনট প্লেসে আয়োজিত ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ নামক পদযাত্রার ঠিক আগমুহূর্তে তাকে পুলিশের প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। ভারতে নির্বাচনে জালিয়াতির বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে দিল্লির কনট প্লেসে আয়োজিত পদযাত্রায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে আটকের এক দিন পর মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। আর শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ করবেন না মর্মে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে শুনানি শেষে মন্দির মার্গ থানা থেকে বের হয়ে আসেন তিনি। সে সময় এক বছরের জন্য শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার মুচলেকায় সই দিয়ে মুক্তি পান তিনি।

অভিজিৎ দীপকে ছাড়াও শুক্রবার এআইএসএ-এর সভাপতি নেহা বোরাও আটক হয়েছিলেন। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর শনিবার ভোরেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে অভিজিৎ দীপকের পরিস্থিতি ছিল কিছুটা ভিন্ন। তাকে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারায় শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে নতুন একটি মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। এর আগেও গত ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দরে বিমানের ভেতর থেকে তাকে প্রথমবার আটক করা হয়েছিল এবং তখনও শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে আলাদা একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছিল। দীপকে ছাড়াও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাও ১৬ অক্টোবর (শুক্রবার) আটক হয়েছিলেন। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার ভোরে বোরাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

তবে পুলিশি বাধা ও ধরপাকড় সত্ত্বেও শিক্ষার্থী এবং অন্যান্য আন্দোলনকারীরা পতাকা হাতে ছোট ছোট পদযাত্রা বের করেছেন। অন্যদিকে, সিজেপির অপর দুই নেতা আশুতোষ রঙ্কা এবং সৌরভ দাস এখনো বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে। সব মিলিয়ে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একাধিক নেতার আটক হওয়া ও পরবর্তী আইনি জটিলতা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিশেধাজ্ঞা জারি করা হয়।