প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে চার দেশের ‘বদর চুক্তি’ স্বাক্ষর
- আপডেট সময় : ০২:১২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে
প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করা এবং পারস্পরিক কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়া একটি নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। বুধবার তুর্কি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দোহায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশগুলোর উচ্চপর্যায়ের প্রতিরক্ষা প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ‘বদর মেমোর্যান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ বা সমঝোতা স্মারকটি সই হয়।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নের (R&D) ক্ষেত্রে দেশগুলোর মধ্যকার সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। প্রতিটি দেশের নিজস্ব সামরিক উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এই উদ্যোগ অংশীদারিত্বের বিকাশ ঘটাবে, যা প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণের সক্ষমতাও অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির যথেষ্ট অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে।
উল্লেখ্য, ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনীর অধিকারী তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরেই কাতারসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারে সহায়তা দিয়ে আসছে। এর অংশ হিসেবে কাতারে তুরস্কের একটি সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে। এছাড়া গত আগস্ট মাসে তুরস্ক পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের সঙ্গে পৃথক একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পন্ন করেছিল, যেখানে যেকোনো এক পক্ষের ওপর হামলাকে সব পক্ষের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করার বিধান রাখা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গেও প্রতিরক্ষা শিল্পের বিভিন্ন খাতে তুরস্কের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান।
বদর চুক্তিটি দেশগুলোর প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যকার সম্পর্ক সুদৃঢ় করার পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে প্রতিরক্ষা খাতের এই অগ্রগতির মধ্যেই কাতারের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের আপডেট রয়েছে। জানা গেছে, কাতার মন্ত্রিসভা সম্প্রতি ২০২৭ সালের খসড়া বাজেট অনুমোদন করেছে। একইসাথে ধর্মীয় পর্যটন খাতে বড় রেকর্ড গড়েছে সৌদি আরব; মদিনার মসজিদে নববীতে কেবল এক মাসেই ২ কোটি ১৬ লাখ মুসল্লির সমাগম হয়েছে।
























