কুশনারের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশ থেকে বিপুল অর্থ লেনদেনের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১০:৪৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা এবং হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা থাকাকালীন জ্যারেড কুশনারের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোর সহায়তায় পরিচালিত গোপন বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভ্যানিটি ফেয়ারের প্রতিবেদনে ডাচ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, কুশনারের ফোনে নজরদারি চালিয়ে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইসরায়েলি শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তার গোপন আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনের সময় কুশনারের আইফোনে নজরদারি করে ডাচ গুপ্তচররা দেখতে পায় যে, তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করেছিলেন। সেই অ্যাকাউন্টে আজারবাইজানের একটি ব্যাংক থেকে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা বা ৭৫ কোটি মার্কিন ডলার জমা করা হয়েছিল। আমিরাত সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কুশনারের স্বাক্ষর করার ক্ষমতা থাকলেও তিনি এর মালিক ছিলেন না।
আরও অভিযোগ করা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা করতে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান একটি গোপন তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। যদিও পরিকল্পনাটি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি, তবুও কুশনারের জন্য দুটি আলাদা অ্যাকাউন্টে অন্তত ২৪ হাজার কোটি টাকা বা ২০০ কোটি ডলার জমা রাখা হয়েছিল। এছাড়া কুশনারের ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য সৌদি রাজপরিবার আরও ১২ হাজার কোটি টাকা বা ১০০ কোটি ডলার স্থানান্তর করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন জ্যারেড কুশনার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে তিনি এসব দাবিকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও পাগলামি’ বলে অভিহিত করেছেন। তার দাবি, এসব অভিযোগের সপক্ষে ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা লেনদেনের কোনো প্রমাণ নেই। তার আইনি প্রতিনিধি জানিয়েছেন, এমন কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের কোনো অস্তিত্বই নেই এবং এই মানহানিকর দাবির বিরুদ্ধে তারা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
























