ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নতুন হামলা হলে তেল স্থাপনায় আঘাত হানবে ইরান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি নতুন করে কোনো সামরিক হামলা চালায়, তবে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনা, আন্ডারসি ক্যাবল, ডেটাসেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্রগুলোতে পাল্টা আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতে, ডনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি নতুন করে আগ্রাসন চালান, তবে তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো ‘রেড লাইন’ বা সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩রা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে যৌথ হামলার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন ও ইসরাইল। এরই অংশ হিসেবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরাইলে গিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ইতিমধ্যে বুধবার হরমুজ প্রণালিতে কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এই উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩.৪ ডলারে (প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ টাকা) পৌঁছেছে। নভেম্বরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

ইরানি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে চরম মন্দার দিকে ঠেলে দেবে। তবে উত্তেজনাকর এই পরিস্থিতিতেও তেহরান মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের শর্তে পারমাণবিক ইস্যু ও হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নতুন হামলা হলে তেল স্থাপনায় আঘাত হানবে ইরান

আপডেট সময় : ০২:৪২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি নতুন করে কোনো সামরিক হামলা চালায়, তবে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনা, আন্ডারসি ক্যাবল, ডেটাসেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্রগুলোতে পাল্টা আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতে, ডনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি নতুন করে আগ্রাসন চালান, তবে তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো ‘রেড লাইন’ বা সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩রা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে যৌথ হামলার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন ও ইসরাইল। এরই অংশ হিসেবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরাইলে গিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ইতিমধ্যে বুধবার হরমুজ প্রণালিতে কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এই উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩.৪ ডলারে (প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ টাকা) পৌঁছেছে। নভেম্বরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

ইরানি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে চরম মন্দার দিকে ঠেলে দেবে। তবে উত্তেজনাকর এই পরিস্থিতিতেও তেহরান মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের শর্তে পারমাণবিক ইস্যু ও হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব রেখেছে।