ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

খুলনায় ১২ দিনে সাতটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনা মহানগর ও জেলাজুড়ে গত ১২ দিনে সাতটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক অনুসন্ধান বলছে, এর মধ্যে অন্তত পাঁচটি ঘটনার পেছনে মাদক কারবার, আর্থিক লেনদেন এবং আধিপত্য বিস্তারের মতো বিষয়গুলো সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত চারজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া একই সময়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন এবং দুজন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন।

সর্বশেষ সোমবার দুপুরে রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের সিংহের চর এলাকায় আঠারোবেকী নদীর চরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা হলেন রূপসার রাজাপুর এলাকার আবদুল্লাহর ছেলে মেহেদী হাসান (৩৫) ও রেজাউল করিম (৩০)। পুলিশের ভাষ্যমতে, নিহতদের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে হত্যার পর তাদের মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে মেহেদী হাসানের নামে দুটি মাদক মামলা রয়েছে এবং রেজাউল করিম মাদক বহনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তারা উভয়ই ‘বি কোম্পানি’ নামের স্থানীয় একটি অপরাধী চক্রের সদস্য হিসেবে পরিচিত। চক্রটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকেই এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পুলিশের ধারণা। অভিযোগ না পেলে পুলিশ নিজেই বাদী হয়ে মামলা করবে এবং নৌ পুলিশ ঘটনার তদন্ত করবে।

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় নগরের রায়েরমহল এলাকায় নিজ রেস্তোরাঁয় কুপিয়ে হত্যা করা হয় খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবিরকে। ঘটনার জেরে তাঁর ছেলে বাদী হয়ে মামলা করেছেন, যেখানে ছাত্রদলের এক স্থানীয় নেতাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রেফ্রিজারেটরের বকেয়া কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলা ঘটে থাকতে পারে। এ ঘটনায় একজন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরাফাত হোসেনকে। আরাফাতকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে ছাত্রদল।

শনিবার রাতে নগরের লবণচরা এলাকা থেকে শহীদুল ইসলাম (৩৫) নামের আরেক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, নিহত শহীদুল মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা ছিল। তাঁর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন এবং এজাহারে মাদক ব্যবসার বিরোধকেই মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও ছিনতাইয়ের অভিযোগও রয়েছে। এর আগের দিন গত শনিবার রাত ১১টার দিকে নগরের লবণচরা এলাকায় দরগা কাশেমিয়া মসজিদ-সংলগ্ন সড়ক থেকে শহীদুল ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, দু-তিন দিন পরপর বাড়িতে আসতেন শহীদুল। পরে রাত ১১টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে সড়কের ওপর তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। এর আগে ২০২১ সালে ১৫টি, ২০২২ সালে ১৯টি, ২০২৩ সালে ১৭টি, ২০২৪ সালে ২৯টি এবং ২০২৫ সালে ৩৪টি হত্যা মামলা হয়েছিল। ঘটনার দিন বিকেলে বাড়িতে এসে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বের হন তিনি।

গত ২২ অক্টোবর একই দিনে নগরে তাওহিদুল ইসলাম এবং খুশি আক্তার নামের দুজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ সূত্র বলছে, তাওহিদুল ‘পলাশ গ্রুপ’ এবং খুশি আক্তার ‘গ্রেনেড বাবু গ্রুপ’ বা ‘বি কোম্পানি’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মাদক ও আধিপত্য বিস্তারের বিরোধ থেকেই মূলত এই দুই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তাওহিদুল হত্যায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে এবং খুশি আক্তার হত্যায় তাঁর বোন চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। তবে এসব মামলার কোনোটিতেই এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। খুলনায় ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে যুবদলের দুই নেতাসহ তিনজনকে গুলি।

এছাড়া ২৫ অক্টোবর সোনাডাঙ্গা এলাকায় বকেয়া ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে বাড়িওয়ালার লাঠির আঘাতে রকিবুল ইসলাম (২৪) নামের এক ভাড়াটিয়া নিহত হন। এই ঘটনায় বাড়ির মালিক ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চলতি বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১০ মাসে খুলনা মহানগর এলাকায় ৩৭টি হত্যা মামলায় ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। জেলা পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর ২ নভেম্বর পর্যন্ত ৩৭টি হত্যার ঘটনায় ৩৫টি মামলা হয়েছে। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, জেলা ও মহানগর এলাকায় গত পাঁচ বছর ধরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, এসবের বাইরেও জেলায় আরও অন্তত ৩৫টি হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রের ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। খুলনায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড, ১০ মাসে ৭১ খুন, পেছনের কারণ কী। জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকাতেও হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা উদ্বেগজনক।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (খুলনা জোন) শফিকুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক সবকটি ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে এসব মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা না গেলেও দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খুলনায় ১২ দিনে সাতটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে পুলিশ

আপডেট সময় : ০৫:৩২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

খুলনা মহানগর ও জেলাজুড়ে গত ১২ দিনে সাতটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক অনুসন্ধান বলছে, এর মধ্যে অন্তত পাঁচটি ঘটনার পেছনে মাদক কারবার, আর্থিক লেনদেন এবং আধিপত্য বিস্তারের মতো বিষয়গুলো সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত চারজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া একই সময়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন এবং দুজন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন।

সর্বশেষ সোমবার দুপুরে রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের সিংহের চর এলাকায় আঠারোবেকী নদীর চরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা হলেন রূপসার রাজাপুর এলাকার আবদুল্লাহর ছেলে মেহেদী হাসান (৩৫) ও রেজাউল করিম (৩০)। পুলিশের ভাষ্যমতে, নিহতদের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে হত্যার পর তাদের মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে মেহেদী হাসানের নামে দুটি মাদক মামলা রয়েছে এবং রেজাউল করিম মাদক বহনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তারা উভয়ই ‘বি কোম্পানি’ নামের স্থানীয় একটি অপরাধী চক্রের সদস্য হিসেবে পরিচিত। চক্রটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকেই এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পুলিশের ধারণা। অভিযোগ না পেলে পুলিশ নিজেই বাদী হয়ে মামলা করবে এবং নৌ পুলিশ ঘটনার তদন্ত করবে।

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় নগরের রায়েরমহল এলাকায় নিজ রেস্তোরাঁয় কুপিয়ে হত্যা করা হয় খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবিরকে। ঘটনার জেরে তাঁর ছেলে বাদী হয়ে মামলা করেছেন, যেখানে ছাত্রদলের এক স্থানীয় নেতাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রেফ্রিজারেটরের বকেয়া কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলা ঘটে থাকতে পারে। এ ঘটনায় একজন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরাফাত হোসেনকে। আরাফাতকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে ছাত্রদল।

শনিবার রাতে নগরের লবণচরা এলাকা থেকে শহীদুল ইসলাম (৩৫) নামের আরেক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, নিহত শহীদুল মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা ছিল। তাঁর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন এবং এজাহারে মাদক ব্যবসার বিরোধকেই মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও ছিনতাইয়ের অভিযোগও রয়েছে। এর আগের দিন গত শনিবার রাত ১১টার দিকে নগরের লবণচরা এলাকায় দরগা কাশেমিয়া মসজিদ-সংলগ্ন সড়ক থেকে শহীদুল ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, দু-তিন দিন পরপর বাড়িতে আসতেন শহীদুল। পরে রাত ১১টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে সড়কের ওপর তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। এর আগে ২০২১ সালে ১৫টি, ২০২২ সালে ১৯টি, ২০২৩ সালে ১৭টি, ২০২৪ সালে ২৯টি এবং ২০২৫ সালে ৩৪টি হত্যা মামলা হয়েছিল। ঘটনার দিন বিকেলে বাড়িতে এসে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বের হন তিনি।

গত ২২ অক্টোবর একই দিনে নগরে তাওহিদুল ইসলাম এবং খুশি আক্তার নামের দুজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ সূত্র বলছে, তাওহিদুল ‘পলাশ গ্রুপ’ এবং খুশি আক্তার ‘গ্রেনেড বাবু গ্রুপ’ বা ‘বি কোম্পানি’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মাদক ও আধিপত্য বিস্তারের বিরোধ থেকেই মূলত এই দুই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তাওহিদুল হত্যায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে এবং খুশি আক্তার হত্যায় তাঁর বোন চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। তবে এসব মামলার কোনোটিতেই এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। খুলনায় ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে যুবদলের দুই নেতাসহ তিনজনকে গুলি।

এছাড়া ২৫ অক্টোবর সোনাডাঙ্গা এলাকায় বকেয়া ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে বাড়িওয়ালার লাঠির আঘাতে রকিবুল ইসলাম (২৪) নামের এক ভাড়াটিয়া নিহত হন। এই ঘটনায় বাড়ির মালিক ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চলতি বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১০ মাসে খুলনা মহানগর এলাকায় ৩৭টি হত্যা মামলায় ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। জেলা পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর ২ নভেম্বর পর্যন্ত ৩৭টি হত্যার ঘটনায় ৩৫টি মামলা হয়েছে। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, জেলা ও মহানগর এলাকায় গত পাঁচ বছর ধরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, এসবের বাইরেও জেলায় আরও অন্তত ৩৫টি হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রের ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। খুলনায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড, ১০ মাসে ৭১ খুন, পেছনের কারণ কী। জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকাতেও হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা উদ্বেগজনক।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (খুলনা জোন) শফিকুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক সবকটি ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে এসব মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা না গেলেও দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছে পুলিশ।