বৃহস্পতিবার থেকে সেন্টমার্টিনে চালু হচ্ছে পর্যটকবাহী তিন জাহাজ
- আপডেট সময় : ০৫:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
দীর্ঘ জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের উদ্দেশ্যে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে। সব ধরনের প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়ার পর পর্যটকদের যাতায়াতের জন্য তিনটি জাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানিয়েছেন, পর্যটকের সংখ্যা যাই হোক না কেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নিয়মিতভাবে জাহাজ পরিচালনার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
নৌ পরিবহন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতিপ্রাপ্ত এই তিনটি জাহাজের মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়া ৮৫০ জন, এমভি কর্ণফুলি ৭৩২ জন এবং এমভি টেকনাফ ৭১৬ জন যাত্রী বহন করতে পারবে। সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭টায় কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাবে এবং দ্বীপ থেকে ফিরবে বেলা আড়াইটায়। এছাড়া এমভি কর্ণফুলি সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে বেলা ২টা ১৫ মিনিটে এবং এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে রওনা হয়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় কক্সবাজার ফিরে আসবে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও নানাবিধ কারণে জাহাজ চলাচল শুরু করতে দেরি হয়। সংশোধিত নির্দেশনায় আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার মাস পর্যটকরা দ্বীপে যাতায়াত ও রাত্রিযাপন করতে পারবেন। তবে প্রতিটি পর্যটককে ভ্রমণের জন্য ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি জমা দিতে হবে। এছাড়া আগের নিয়ম অনুযায়ী ট্রাভেল পাস এবং কিউআর কোডযুক্ত টিকিট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, আর প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।
দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় পর্যটকদের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। এর আওতায় সৈকতে রাতে কোনো ধরণের আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ করা বা বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ এবং সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, ঝিনুকসহ যেকোনো প্রাণীর ক্ষতি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। একই সঙ্গে সৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।























