ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

এবার দাদিকে হত্যার পর নাতনিকে ‘ধর্ষণ’

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদিকে হত্যা করে বাড়ি থেকে নাতনিকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরে নাতনির বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে কোনো একসময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)।

নাতনিতে ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশ ও স্থানীয়দের।
পারিবারিক সূত্র জানায়, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে রাস্তায় বের হন স্থানীয়রা। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে বাড়িতে চলে যান তারা। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়।

একপর্যায়ে নাতনি জামিলাকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশে সরিষাক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় লাশ পাওয়া যায়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করছে স্বজন ও এলাকাবাসী।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে সকালে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কারা, কী কারণে তাদের হত্যা করল, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এবার দাদিকে হত্যার পর নাতনিকে ‘ধর্ষণ’

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদিকে হত্যা করে বাড়ি থেকে নাতনিকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরে নাতনির বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে কোনো একসময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)।

নাতনিতে ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশ ও স্থানীয়দের।
পারিবারিক সূত্র জানায়, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে রাস্তায় বের হন স্থানীয়রা। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে বাড়িতে চলে যান তারা। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়।

একপর্যায়ে নাতনি জামিলাকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশে সরিষাক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় লাশ পাওয়া যায়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করছে স্বজন ও এলাকাবাসী।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে সকালে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কারা, কী কারণে তাদের হত্যা করল, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।