ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৮ অঙ্গরাজ্যের মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের ফলে তরুণ ও কিশোররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে—এমন গুরুতর অভিযোগ তুলে ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আটটি অঙ্গরাজ্য। গত ১৪ অক্টোবর বুধবার অঙ্গরাজ্যগুলোর অ্যাটর্নি জেনারেলরা পৃথকভাবে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। মামলাকারী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে আইওয়া, কানসাস ও অ্যারিজোনা অন্যতম। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন বিপজ্জনক কাজে উৎসাহিত করে এবং তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। কিশোরদেরও এমন পরিস্থিতির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মামলাকারীরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলাকারী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে আইওয়া, কানসাস ও অ্যারিজোনা রয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, চ্যাটজিপিটিকে এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে যাতে এটি ব্যবহারকারীর সাথে একমত পোষণ করে কথোপকথন আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যের ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাটি অনেক সময় ব্যবহারকারীর ভুল ধারণাকে আরও জোরালো করে। শুধু তাই নয়, সহিংস আচরণ বা প্রাণহানির উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষণের মতো অপরাধমূলক পরিকল্পনায় সহায়তা করার অভিযোগও উঠেছে এই চ্যাটবটটির বিরুদ্ধে। কিশোর বয়সীরাও এই ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, এই বৈশিষ্ট্যের কারণে চ্যাটবটটি কখনো কখনো ব্যবহারকারীদের ভ্রান্ত বিশ্বাসকে আরও জোরদার করে, বিপজ্জনক আচরণে উৎসাহ দেয় এবং ব্যাপক প্রাণহানির উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষণের মতো সহিংসতার পরিকল্পনায় সহায়তা করে।

মামলাকারীদের অভিযোগ, ওপেনএআই তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য এটি বড় ধরনের হুমকি হিসেবে গণ্য হওয়ায় তারা একে জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছেন। আদালতের কাছে চ্যাটজিপিটির বর্তমান কার্যপ্রণালিতে আমূল পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, মানুষের মৌলিক মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যহীন স্ব-উন্নয়ন সক্ষম কোনো এআই মডেল তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটিকে বিরত রাখার আবেদনও করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত জুনে ফ্লোরিডার অ্যাটর্নি জেনারেল ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে একই ধরনের মামলা করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৮ অঙ্গরাজ্যের মামলা

আপডেট সময় : ০১:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের ফলে তরুণ ও কিশোররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে—এমন গুরুতর অভিযোগ তুলে ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আটটি অঙ্গরাজ্য। গত ১৪ অক্টোবর বুধবার অঙ্গরাজ্যগুলোর অ্যাটর্নি জেনারেলরা পৃথকভাবে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। মামলাকারী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে আইওয়া, কানসাস ও অ্যারিজোনা অন্যতম। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন বিপজ্জনক কাজে উৎসাহিত করে এবং তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। কিশোরদেরও এমন পরিস্থিতির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মামলাকারীরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলাকারী অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে আইওয়া, কানসাস ও অ্যারিজোনা রয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, চ্যাটজিপিটিকে এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে যাতে এটি ব্যবহারকারীর সাথে একমত পোষণ করে কথোপকথন আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যের ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাটি অনেক সময় ব্যবহারকারীর ভুল ধারণাকে আরও জোরালো করে। শুধু তাই নয়, সহিংস আচরণ বা প্রাণহানির উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষণের মতো অপরাধমূলক পরিকল্পনায় সহায়তা করার অভিযোগও উঠেছে এই চ্যাটবটটির বিরুদ্ধে। কিশোর বয়সীরাও এই ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, এই বৈশিষ্ট্যের কারণে চ্যাটবটটি কখনো কখনো ব্যবহারকারীদের ভ্রান্ত বিশ্বাসকে আরও জোরদার করে, বিপজ্জনক আচরণে উৎসাহ দেয় এবং ব্যাপক প্রাণহানির উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষণের মতো সহিংসতার পরিকল্পনায় সহায়তা করে।

মামলাকারীদের অভিযোগ, ওপেনএআই তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য এটি বড় ধরনের হুমকি হিসেবে গণ্য হওয়ায় তারা একে জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছেন। আদালতের কাছে চ্যাটজিপিটির বর্তমান কার্যপ্রণালিতে আমূল পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, মানুষের মৌলিক মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যহীন স্ব-উন্নয়ন সক্ষম কোনো এআই মডেল তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটিকে বিরত রাখার আবেদনও করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত জুনে ফ্লোরিডার অ্যাটর্নি জেনারেল ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে একই ধরনের মামলা করেছিলেন।