কুমিল্লায় বিদেশি পাত্রের সঙ্গে বিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন
- আপডেট সময় : ১২:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী। গতকাল রোববার বিকেলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ওই কিশোরীর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বন্ধ করে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃতা শারলীন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় বাল্যবিবাহের আয়োজন করায় কিশোরীর বাবাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, কিশোরীকে আগে থেকেই রাজি করানো ছিল। তবে তার জন্মনিবন্ধনে বয়স ১৫ বছর পাওয়া গেছে। পরিবারের সবার সম্মতিতে বিয়ের আয়োজন চলছিল।
অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার এবং মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম। প্রশাসনের কাছে তথ্য আসে যে, একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত বাবার পরিবার বিদেশি পাত্র পাওয়ার লোভে কিশোরীকে বিয়ের পিঁড়িতে বসাতে যাচ্ছে। বিয়ের আয়োজনটি সম্পন্ন করতে পরিবারের সবাই সম্মতি দিয়েছিলেন এবং কিশোরীকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বিষয়টি মুঠোফোনে মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা আক্তারকে অবগত করেন। এরপরই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সরকারি টিম। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃতা শারলীন জানান, কিশোরীটি বিয়ের বিষয়ে নিজের অসম্মতির কথা প্রকাশ করতে চায়নি। তবে তার জন্মনিবন্ধন যাচাই করে ১৫ বছর বয়স নিশ্চিত হওয়ার পরই বিয়েটি বন্ধ করা হয়। কিশোরীর শিক্ষাজীবন সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের বাল্যবিবাহ রোধে স্থানীয় সচেতনতা ও অভিভাবকদের দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। খবর পেয়ে তিনি ওসি ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান ও বিয়ে বন্ধ করে দেন।


























