ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নাটোর-৪ আসনের এমপির বিরুদ্ধে ভিডিও বিতর্ক ও মামলার জট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের পুত্রের জড়িত থাকার অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ে এমপির নিজের একটি আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত ক’দিনের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই খোদ এমপি আবদুল আজিজের আশালীন ভিডিও দৃশ্যত ক্ষোভের আগুলে ঘি ঢেলে দিয়েছে। বিষয়টি এখন এলাকায় টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি ভাবছি।

শাকিল হত্যা মামলায় এমপির ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে পুলিশ তিনদিনের রিমান্ডে নিয়েছে। এর পরপরই গুরুদাসপুর থানার ওসি আব্দুল হান্নানকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে প্রত্যাহার করে রাজশাহী রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখার আলম। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে নুরুজ্জামান মিন্টুকে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকেও বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটি। যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন স্বাক্ষরিত পরিপত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই হত্যা মামলায় আজিজের পুত্র নুরুজ্জামান মিন্টুকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৪ই অক্টোবর রাতে, যখন গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম চাঁচকৈড় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হেলমেট পরা দুই যুবকের হামলার শিকার হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে রাজশাহী এবং সবশেষে ঢাকার বিএমইউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ বারো দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাত আটটায় শাকিল মৃত্যুবরণ করেন। নিহতের বাবা রবিউল করিম জানান, শাকিল আগে থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন এবং ২০শে এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে পোস্ট দেওয়ার পাশাপাশি থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন। পুলিশের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, তারা শাকিলের নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফেসবুক জুড়ে সমালোচনার পাশাপাশি ধিক্কার জানাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আশফাক আহমেদ নামে প্রবাসী এক ব্যক্তির ফেসবুক আইডি থেকে প্রথমে তিনটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ পায়। এর মধ্যেই গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম (৩২) দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন। আশফাক নামের ওই আইডি থেকে এরইমধ্যে তার বিভিন্ন অপকর্ম ও তার দুই সন্তানের নানা ধরনের অনৈতিক কাজের সমালোচনা করা হচ্ছিল। এদিকে, সন্ত্রাসী হামলায় আহত হওয়ার ১২ দিন পর গত সোমবার রাত ৮টায় ঢাকার বিএমইউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম। সেখানে সোমবার রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। দুই ভাইয়ের অনুসারীদের মধ্যে দ্বন্দ্বও আছে। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী ও পরে ঢাকা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) হাসপাতালে নেয়া হয়।

শাকিলের মৃত্যুর পর মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে তার প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়। রাতে গুরুদাসপুরের বিলচলন শহীদ শামসুজ্জোহা কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা চলাকালে এমপি আব্দুল আজিজ নিহতের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিলে উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে। জানাজা শেষে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে এবং স্থানীয় চাঁচকৈড় বাজারের একটি শপিংমল ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে এমপির একটি অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। ভাইরাল হওয়া পাঁচটি মিনিটের তিনটি ভিডিও ক্লিপে এমপিকে এক নারীর সঙ্গে স্পর্শকাতর অবস্থায় দেখা গেছে। এর প্রতিবাদে বড়াইগ্রামের বনপাড়া বাইপাসসহ বিভিন্ন স্থানে কর্মীরা এমপির পোস্টার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে তার পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বড়াইগ্রামের বনপাড়া বাইপাস চত্বরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে আজিজের ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছে। এদিকে শাকিলের জানাজায় আজিজের বক্তব্য দেয়ার সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জানাজার পর পরই চাঁচকৈড় বাজারের রাশ আরবান মেগা শপিং মল ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় দুর্বৃত্তরা।

ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওর বিষয়ে আব্দুল আজিজ দাবি করেছেন যে, তার সম্মানহানির লক্ষ্যে প্রতিপক্ষ এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা ও বানোয়াট ভিডিও তৈরি করেছে। তিনি এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, এমপি আজিজের দুই ছেলের সমর্থকদের মধ্যে আগে থেকেই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ছিল। নিহত শাকিল এমপির ছোট ছেলে মাহমুদুজ্জামান সোহাগের অনুসারী ছিলেন। বড় ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টু উপজেলা যুবদলের দায়িত্বে থাকলেও ছোট ভাই সোহাগ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সক্রিয়। বর্তমানে পুরো ঘটনাটি নাটোরের রাজনৈতিক মহলে প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দুই ইস্যুতে টালমাটাল নাটোরের রাজনীতি। এমন কি এসময় তিনি নানা ধরনের অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করেন। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মান ক্ষুণ্ন্ন করার জন্য এআই প্রযুক্তি দিয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে প্রতিপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নাটোর-৪ আসনের এমপির বিরুদ্ধে ভিডিও বিতর্ক ও মামলার জট

আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের পুত্রের জড়িত থাকার অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ে এমপির নিজের একটি আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত ক’দিনের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই খোদ এমপি আবদুল আজিজের আশালীন ভিডিও দৃশ্যত ক্ষোভের আগুলে ঘি ঢেলে দিয়েছে। বিষয়টি এখন এলাকায় টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি ভাবছি।

শাকিল হত্যা মামলায় এমপির ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে পুলিশ তিনদিনের রিমান্ডে নিয়েছে। এর পরপরই গুরুদাসপুর থানার ওসি আব্দুল হান্নানকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে প্রত্যাহার করে রাজশাহী রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখার আলম। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে নুরুজ্জামান মিন্টুকে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকেও বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটি। যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন স্বাক্ষরিত পরিপত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই হত্যা মামলায় আজিজের পুত্র নুরুজ্জামান মিন্টুকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৪ই অক্টোবর রাতে, যখন গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম চাঁচকৈড় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হেলমেট পরা দুই যুবকের হামলার শিকার হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে রাজশাহী এবং সবশেষে ঢাকার বিএমইউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ বারো দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাত আটটায় শাকিল মৃত্যুবরণ করেন। নিহতের বাবা রবিউল করিম জানান, শাকিল আগে থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন এবং ২০শে এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে পোস্ট দেওয়ার পাশাপাশি থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন। পুলিশের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, তারা শাকিলের নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফেসবুক জুড়ে সমালোচনার পাশাপাশি ধিক্কার জানাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আশফাক আহমেদ নামে প্রবাসী এক ব্যক্তির ফেসবুক আইডি থেকে প্রথমে তিনটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ পায়। এর মধ্যেই গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম (৩২) দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন। আশফাক নামের ওই আইডি থেকে এরইমধ্যে তার বিভিন্ন অপকর্ম ও তার দুই সন্তানের নানা ধরনের অনৈতিক কাজের সমালোচনা করা হচ্ছিল। এদিকে, সন্ত্রাসী হামলায় আহত হওয়ার ১২ দিন পর গত সোমবার রাত ৮টায় ঢাকার বিএমইউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলাম। সেখানে সোমবার রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। দুই ভাইয়ের অনুসারীদের মধ্যে দ্বন্দ্বও আছে। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী ও পরে ঢাকা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) হাসপাতালে নেয়া হয়।

শাকিলের মৃত্যুর পর মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে তার প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়। রাতে গুরুদাসপুরের বিলচলন শহীদ শামসুজ্জোহা কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা চলাকালে এমপি আব্দুল আজিজ নিহতের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিলে উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে। জানাজা শেষে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে এবং স্থানীয় চাঁচকৈড় বাজারের একটি শপিংমল ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে এমপির একটি অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। ভাইরাল হওয়া পাঁচটি মিনিটের তিনটি ভিডিও ক্লিপে এমপিকে এক নারীর সঙ্গে স্পর্শকাতর অবস্থায় দেখা গেছে। এর প্রতিবাদে বড়াইগ্রামের বনপাড়া বাইপাসসহ বিভিন্ন স্থানে কর্মীরা এমপির পোস্টার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে তার পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বড়াইগ্রামের বনপাড়া বাইপাস চত্বরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে আজিজের ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছে। এদিকে শাকিলের জানাজায় আজিজের বক্তব্য দেয়ার সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জানাজার পর পরই চাঁচকৈড় বাজারের রাশ আরবান মেগা শপিং মল ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় দুর্বৃত্তরা।

ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওর বিষয়ে আব্দুল আজিজ দাবি করেছেন যে, তার সম্মানহানির লক্ষ্যে প্রতিপক্ষ এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা ও বানোয়াট ভিডিও তৈরি করেছে। তিনি এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, এমপি আজিজের দুই ছেলের সমর্থকদের মধ্যে আগে থেকেই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ছিল। নিহত শাকিল এমপির ছোট ছেলে মাহমুদুজ্জামান সোহাগের অনুসারী ছিলেন। বড় ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টু উপজেলা যুবদলের দায়িত্বে থাকলেও ছোট ভাই সোহাগ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সক্রিয়। বর্তমানে পুরো ঘটনাটি নাটোরের রাজনৈতিক মহলে প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দুই ইস্যুতে টালমাটাল নাটোরের রাজনীতি। এমন কি এসময় তিনি নানা ধরনের অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করেন। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মান ক্ষুণ্ন্ন করার জন্য এআই প্রযুক্তি দিয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে প্রতিপক্ষ।