ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটানোয় বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা শহিদুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জুয়েল হোসেনকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদল নেতা শহিদুল ইসলাম সাহেদকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে শহিদুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক লোকমান হোসেন ও সদস্যসচিব ইকরাম মাহমুদ এতে স্বাক্ষর করেছেন।

অব্যাহতি পাওয়া শহিদুল ইসলাম দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের দ্বাদশ শ্রেণির সাবেক আহ্বায়ক এবং লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন। জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বারাকাত সৌরভ জানিয়েছেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাপরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটিকে তিনি খুবই দুঃখজনক হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এই কর্মকাণ্ডের ফলে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত রোববার রাতে। ওই রাতে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কক্ষে ঢুকে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জুয়েল হোসেনকে মারধর করেন শহিদুল। এ সময় তাঁকে চেয়ার দিয়ে পেটানোসহ কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়, যাতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর আগে গত রোববার রাতে শহিদুল ইসলাম সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কক্ষে ঢুকে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জুয়েল হোসেনকে মারধর করেন। সেখানেও তাঁকে আরেক দফায় মারধর করা হয়।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, মোবাইল কেনাবেচা নিয়ে রোববার বিকেলে শহিদুল ও জুয়েলের মধ্যে বিরোধ এবং মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য জুয়েল হাসপাতালে গেলে শহিদুল তাঁর অনুসারীদের নিয়ে সেখানে গিয়ে হামলা চালান। মারধর থেকে বাঁচতে জুয়েল জরুরি বিভাগের কক্ষে আশ্রয় নিলেও শহিদুল সেখানে গিয়ে পুনরায় হামলা করেন। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য অভিযুক্ত শহিদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটানোয় বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা শহিদুল

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জুয়েল হোসেনকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদল নেতা শহিদুল ইসলাম সাহেদকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে শহিদুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক লোকমান হোসেন ও সদস্যসচিব ইকরাম মাহমুদ এতে স্বাক্ষর করেছেন।

অব্যাহতি পাওয়া শহিদুল ইসলাম দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের দ্বাদশ শ্রেণির সাবেক আহ্বায়ক এবং লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন। জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বারাকাত সৌরভ জানিয়েছেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাপরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটিকে তিনি খুবই দুঃখজনক হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এই কর্মকাণ্ডের ফলে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত রোববার রাতে। ওই রাতে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কক্ষে ঢুকে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জুয়েল হোসেনকে মারধর করেন শহিদুল। এ সময় তাঁকে চেয়ার দিয়ে পেটানোসহ কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়, যাতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর আগে গত রোববার রাতে শহিদুল ইসলাম সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কক্ষে ঢুকে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জুয়েল হোসেনকে মারধর করেন। সেখানেও তাঁকে আরেক দফায় মারধর করা হয়।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, মোবাইল কেনাবেচা নিয়ে রোববার বিকেলে শহিদুল ও জুয়েলের মধ্যে বিরোধ এবং মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য জুয়েল হাসপাতালে গেলে শহিদুল তাঁর অনুসারীদের নিয়ে সেখানে গিয়ে হামলা চালান। মারধর থেকে বাঁচতে জুয়েল জরুরি বিভাগের কক্ষে আশ্রয় নিলেও শহিদুল সেখানে গিয়ে পুনরায় হামলা করেন। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য অভিযুক্ত শহিদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।