মধ্যপ্রাচ্যে আরও এক রণতরী ও মেরিন ইউনিট পাঠাচ্ছে পেন্টাগন
- আপডেট সময় : ০৪:০২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে নতুন করে বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। দেশটির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরীর স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটকে ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হচ্ছে। ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই রণতরী বহরটি চলতি বছরের নভেম্বরের শেষ নাগাদ সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) আওতাধীন এলাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ফক্স নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক ‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর।
এর আগে ১ অক্টোবর মার্কিন এক কর্মকর্তা দ্য জেরুজালেম পোস্টকে জানিয়েছিলেন, রণতরী ও মেরিন সেনাদের একটি ইউনিট সেন্টকমের অভিযান এলাকায় পাঠানো হবে।
সে সময় জানা গিয়েছিল, ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপও সান দিয়েগো থেকে রওনা দিয়েছে, যার ভেতরেই রয়েছে ১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট। বর্তমানে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুটি বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন দায়িত্ব পালন করছে। এর মধ্যে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এপ্রিলে এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন আগস্টে সেখানে পৌঁছায়।
ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউট নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার লক্ষ্যেই ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টকে সেন্টকমের অভিযান এলাকার দিকে পাঠানো হচ্ছিল। এছাড়া আরব সাগরে আগে থেকেই ইউএসএস বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ মোতায়েন রয়েছে। এই বহরের সাথে ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের পাশাপাশি ইউএসএস পোর্টল্যান্ড ও ইউএসএস কমস্টকও যুক্ত রয়েছে। ধারাবাহিকভাবে এই সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার মাধ্যমে উপসাগরীয় অঞ্চলে ওয়াশিংটন তাদের কৌশলগত প্রভাব ধরে রাখার চেষ্টা করছে।
























