শেষ হলো ৯ দিনের আপিল যুদ্ধ, উত্তপ্ত নির্বাচন কমিশন প্রাঙ্গণ
- আপডেট সময় : ১২:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮৭ বার পড়া হয়েছে
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির আজ শেষ দিন ছিল। আজকের শুনানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার ৯ দিনের আপিল যুদ্ধ। তবে এই শেষ দিনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নির্বাচন কমিশন এলাকা। সকাল থেকেই নির্বাচন ভবনের চারপাশ ঘিরে অবস্থান নিয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন তারা।
তফসিল অনুযায়ী, আজ আপিল নিষ্পত্তির শেষ দিন। সকাল থেকেই আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসিসহ পূর্ণ কমিশন শেষ পর্যায়ের শুনানিতে বসেন। তবে অফিসের ভেতরে যখন আইনি লড়াই চলছে, বাইরে তখন বিরাজ করছে উত্তপ্ত পরিস্থিতি।সকাল থেকেই নির্বাচন ভবনের চারপাশ ঘিরে ফেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একতরফা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে স্লোগান দিতে থাকেন তারা। তাদের দাবি, কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে।
এদিকে শুনানির শেষ দিনে ৬১১ থেকে ৬৪৫ ক্রমিক নম্বরসহ গত কয়েক দিনের অপেক্ষমাণ আবেদনগুলোর নিষ্পত্তি করছে কমিশন। মোট ৬৫টি আপিল শুনানি হবে আজ, যার মধ্য প্রথম ধাপে সম্পন্ন হওয়া ৩৫টি আবেদনের মধ্যে ১০ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তবে ১৮ জনের আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে এবং দুইজন আপিল আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। পরের ধাপে ৩০টি শুনানির বেশির ভাগই দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে।
পরিসংখ্যান বলছে, এবারের এই ৯ দিনের আপিল যুদ্ধে মোট ৬৪৫ জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। যার মধ্যে ইতোমধ্যেই প্রায় ৪০০ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। অন্যদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তার বৈধ ঘোষণা করা ৪ জন প্রার্থী আপিলে এসে তাদের প্রার্থিতা হারিয়েছেন। এখন পর্যন্ত ভোটের মাঠে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৩০ জনে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। পরদিন ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার পরেই অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা। আর সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।


























