ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

সৌদি আরবের মক্কা-মদিনা লক্ষ্য করে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনা অঞ্চলকে লক্ষ্য করে উৎক্ষেপণ করা হয়। তবে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে এগুলোকে আকাশে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। ঘটনার পর ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ মক্কা, জেদ্দা, তায়েফ ও রাবিগ এলাকার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় কোনো ধরনের হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ-র তথ্যমতে, মক্কার ওয়াদি আল-মাগমাস, জেদ্দার আল-নুজহা, তায়েফের ওয়াদি জলিল এবং রাবিগের মাসতুরাহ সেন্টারে ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হামলার খবর নিশ্চিত করা হলেও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা মক্কা ও মদিনার মতো পবিত্র শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।

এর আগেও বেশ কয়েকবার ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর কাছাকাছি হুতিদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত ১লা অক্টোবর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায় যে, তার দুই দিন আগে হুতিরা মদিনার তাইবা বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে হামলা চালায়। ওই হামলায় একটি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মদিনার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ছিল। জোটের দাবি অনুযায়ী, ড্রোন ধ্বংসাবশেষ ও তদন্ত থেকে প্রাপ্ত প্রমাণাদি হামলার সঙ্গে হুতিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করে। উল্লেখ্য যে, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে, তবে এ অভিযোগের বিষয়ে হুতিদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি।

এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, মক্কার আকাশসীমা অতিক্রমের আগেই একটি হুতি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের ভাষ্যমতে, ২০১৭ সালের পর পবিত্র নগরী মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি ছিল হুতিদের দ্বিতীয় বড় প্রচেষ্টা। তবে হুতিরা সব সময় মক্কা কিংবা অন্য কোনো ইসলামি পবিত্র স্থাপনায় হামলার কথা নাকচ করে এসেছে। একই দিনে বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ মক্কাসহ ইয়ানবু, জেদ্দা, তায়েফ ও তাবুক অঞ্চলের জন্য একাধিক সতর্কতা জারি করেছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সৌদি আরবের মক্কা-মদিনা লক্ষ্য করে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনা অঞ্চলকে লক্ষ্য করে উৎক্ষেপণ করা হয়। তবে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে এগুলোকে আকাশে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। ঘটনার পর ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ মক্কা, জেদ্দা, তায়েফ ও রাবিগ এলাকার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় কোনো ধরনের হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ-র তথ্যমতে, মক্কার ওয়াদি আল-মাগমাস, জেদ্দার আল-নুজহা, তায়েফের ওয়াদি জলিল এবং রাবিগের মাসতুরাহ সেন্টারে ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হামলার খবর নিশ্চিত করা হলেও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা মক্কা ও মদিনার মতো পবিত্র শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।

এর আগেও বেশ কয়েকবার ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর কাছাকাছি হুতিদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত ১লা অক্টোবর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায় যে, তার দুই দিন আগে হুতিরা মদিনার তাইবা বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে হামলা চালায়। ওই হামলায় একটি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মদিনার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ছিল। জোটের দাবি অনুযায়ী, ড্রোন ধ্বংসাবশেষ ও তদন্ত থেকে প্রাপ্ত প্রমাণাদি হামলার সঙ্গে হুতিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করে। উল্লেখ্য যে, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে, তবে এ অভিযোগের বিষয়ে হুতিদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি।

এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, মক্কার আকাশসীমা অতিক্রমের আগেই একটি হুতি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের ভাষ্যমতে, ২০১৭ সালের পর পবিত্র নগরী মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি ছিল হুতিদের দ্বিতীয় বড় প্রচেষ্টা। তবে হুতিরা সব সময় মক্কা কিংবা অন্য কোনো ইসলামি পবিত্র স্থাপনায় হামলার কথা নাকচ করে এসেছে। একই দিনে বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ মক্কাসহ ইয়ানবু, জেদ্দা, তায়েফ ও তাবুক অঞ্চলের জন্য একাধিক সতর্কতা জারি করেছিল।