সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ারও করা হবে: আইজিপি
- আপডেট সময় : ০২:৪৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেছেন, আইন ও সংবিধান অনুযায়ী যে পরিস্থিতির চাহিদা অনুযায়ী যা প্রয়োজন, পুলিশ তা-ই করবে। সোমবার রাজধানীর চকবাজারের ওয়াটার ওয়ার্কার্স রোডে শাহজাহান ইমাম টাওয়ারে ‘কমিউনিটি ইসলামিক ব্যাংক সিস্টেম’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার যদি অনুমতি বা অ্যালাউ করে, তবে প্রয়োজনে ক্রসফায়ারও পরিচালনা করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় আইজিপি আরও বলেন, কে ক্ষমতায় আসবে বা কখন আসবে, তা পুলিশের বিবেচ্য বিষয় নয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশ লাঠিপেটা করলে বলা হয় ফ্যাসিস্ট, আবার চুপ থাকলে বলা হয় দুর্বল। পুলিশকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য কাজ করার পরিবেশ ও ক্ষমতায়ন প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘কে আসবে, আপা কবে আসবে—ওইটা আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দেখার বিষয় না। আর আমরা যদি নীরবে থাকি, তাহলে বলবেন দুর্বল পুলিশ।
শান্তি বজায় রাখতে পুলিশের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, জননিরাপত্তায় পুলিশের কোনো বিকল্প নেই। সেনাবাহিনী দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করলেও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পুলিশের ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেন, পুলিশকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা না করে বা নিজেরা ব্ল্যাকমেইল না হয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সব দল ও মতের শান্তি স্থাপনের এজেন্ডা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীস্বার্থ প্রাধান্য পাওয়ায় সমাজব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মন্তব্য করেন আইজিপি। এমপাওয়ার করতে হবে।’ ‘আপনার সুখে, শান্তিতে বসবাস করতে হলে পুলিশের কোনো বিকল্প নাই। আপনারা পুলিশকেও ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা কইরেন না, নিজেরাও ব্ল্যাকমেইল হইয়েন না’—বলেন তিনি। যত বাহিনীই বলি, সেনাবাহিনী বলি, তারা দেশ রক্ষা করবে, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে, ইন্টারনাল শৃঙ্খলা, শান্তি, সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন—সবকিছুই আপনার-আমার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব।

























