ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ভোলায় কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন: অংশ নিল ১৭০০ শিক্ষার্থী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই, সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ এবং পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬। শুক্রবার সকাল থেকে জেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ২৭টি হলে একযোগে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। ভোলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও ভোলা কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজকে নির্ধারণ করা হয়েছিল। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সরব উপস্থিতিতে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মূল লক্ষ্য হলো তৃণমূল পর্যায় থেকে মেধাবীদের খুঁজে বের করে তাদের যোগ্যতার স্বীকৃতি প্রদান করা। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে নৈতিকতা ও জ্ঞানচর্চায় অনুপ্রাণিত করাই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন চরফ্যাশন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লাহ স্বপন ও নাজিউর রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান। তাঁরা পরীক্ষার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মতে, এমন বৃত্তি পরীক্ষা তাদের নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করার এবং পড়ালেখায় আরও মনোযোগী হওয়ার সুযোগ করে দেয়। ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত কার্যকর বলে মনে করে তারা। কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম চলমান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।

অভিভাবকদের অভিমত, শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায় বাড়াতে নিয়মিত মেধাবৃত্তি পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। এ ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে অংশগ্রহণ করলে তারা বৃহত্তর পরিসরে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে শিখবে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও কিশোরকণ্ঠের এ ধরনের কল্যাণমুখী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, যা আগামী প্রজন্মের মেধা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভোলায় কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন: অংশ নিল ১৭০০ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৪:১৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই, সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ এবং পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬। শুক্রবার সকাল থেকে জেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ২৭টি হলে একযোগে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। ভোলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও ভোলা কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজকে নির্ধারণ করা হয়েছিল। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সরব উপস্থিতিতে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মূল লক্ষ্য হলো তৃণমূল পর্যায় থেকে মেধাবীদের খুঁজে বের করে তাদের যোগ্যতার স্বীকৃতি প্রদান করা। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে নৈতিকতা ও জ্ঞানচর্চায় অনুপ্রাণিত করাই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন চরফ্যাশন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লাহ স্বপন ও নাজিউর রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান। তাঁরা পরীক্ষার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মতে, এমন বৃত্তি পরীক্ষা তাদের নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করার এবং পড়ালেখায় আরও মনোযোগী হওয়ার সুযোগ করে দেয়। ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত কার্যকর বলে মনে করে তারা। কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম চলমান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।

অভিভাবকদের অভিমত, শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায় বাড়াতে নিয়মিত মেধাবৃত্তি পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। এ ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে অংশগ্রহণ করলে তারা বৃহত্তর পরিসরে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে শিখবে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও কিশোরকণ্ঠের এ ধরনের কল্যাণমুখী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, যা আগামী প্রজন্মের মেধা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।