ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ নিরাপত্তায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখন যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ প্রটোকল ও বাড়তি নিরাপত্তার আওতায় রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশে তাকে এই সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন পুরো সময়জুড়ে তিনি সাবেক সরকারপ্রধান হিসেবে এই বিশেষ সুবিধা পাবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজা।

ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার, যখন নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. ইউনূস একদল ব্যক্তির দ্বারা হেনস্তার শিকার হন। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র নিন্দার ঝড় ওঠে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাৎক্ষণিকভাবে নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে নিয়োজিত বাংলাদেশ মিশন এবং কনস্যুলেট কর্মকর্তাদের ড. ইউনূসের নিরাপত্তা বাড়ানোর কড়া নির্দেশ দেন। সরকারকে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এই হেনস্তায় জড়িতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই ঘটনার কড়া নিন্দা জানানো হয়েছে। ড. ইউনূসের মতো একজন আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্বকে দেশের বাইরে হেনস্তা করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যেন ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে পুরো বিষয়টি অবহিত করেছে। পাশাপাশি নিউইয়র্ক কনস্যুলেট স্থানীয় সিটি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। বিমানবন্দরের পোর্ট অথরিটি এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণসহ লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ কনস্যুলেট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ ও পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে। এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সরকার যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে, তা কর্মকর্তাদের নিয়মিত যোগাযোগ ও তৎপরতায় স্পষ্ট হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ নিরাপত্তায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস

আপডেট সময় : ০২:১০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখন যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ প্রটোকল ও বাড়তি নিরাপত্তার আওতায় রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশে তাকে এই সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন পুরো সময়জুড়ে তিনি সাবেক সরকারপ্রধান হিসেবে এই বিশেষ সুবিধা পাবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজা।

ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার, যখন নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. ইউনূস একদল ব্যক্তির দ্বারা হেনস্তার শিকার হন। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র নিন্দার ঝড় ওঠে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাৎক্ষণিকভাবে নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে নিয়োজিত বাংলাদেশ মিশন এবং কনস্যুলেট কর্মকর্তাদের ড. ইউনূসের নিরাপত্তা বাড়ানোর কড়া নির্দেশ দেন। সরকারকে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এই হেনস্তায় জড়িতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই ঘটনার কড়া নিন্দা জানানো হয়েছে। ড. ইউনূসের মতো একজন আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্বকে দেশের বাইরে হেনস্তা করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যেন ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে পুরো বিষয়টি অবহিত করেছে। পাশাপাশি নিউইয়র্ক কনস্যুলেট স্থানীয় সিটি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। বিমানবন্দরের পোর্ট অথরিটি এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণসহ লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ কনস্যুলেট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ ও পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে। এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সরকার যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে, তা কর্মকর্তাদের নিয়মিত যোগাযোগ ও তৎপরতায় স্পষ্ট হয়েছে।