পত্র দাখিল: অপ্রতিম হত্যায় ৪ জনকে অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি
- আপডেট সময় : ০৫:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিয়েছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান। মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেনি সে। তার সঙ্গে থাকা আইফোনটি নেওয়ার জন্যই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
তদন্তকারী সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার মাত্র ৩১ দিনের মধ্যেই পুলিশ এই চার্জশিট সম্পন্ন করেছে। মামলার তদন্তে চারজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে এবং তাদের সবাইকে ইতোমধ্যেই আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সিয়াম ছাড়া বাকি তিনজন আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশের দ্রুত তদন্ত ও চার্জশিট দাখিলের এই প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন নিহত কিশোরের পরিবার। তাদের আশা, আইনি কার্যক্রম দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হলে ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম হবে। নিহত অপ্রতিমের বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার পুলিশ প্রশাসনের এই তৎপরতার প্রশংসা করেন। হত্যায় চারজনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে। চারজনের মধ্যে দুইজন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের গাজীপুর শিশু শোধনাগারে রাখা হয়েছে। আমার ছেলেকে যারা নির্মমভাবে মেরেছে আইন তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেবে বলে আশা করছি।
উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম। নিখোঁজের পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেট সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের পাশে সানন্দা গ্রামের ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় অপ্রতিমের বাবা মামলা দায়ের করার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এখন আদালতের বিচারাধীন। পরে তার বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করেন।

























