১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সেন্টমার্টিন দ্বীপ
- আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের ভ্রমণ আবারও শুরু হচ্ছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে ১৫ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত পর্যটকরা এই দ্বীপে যাতায়াত ও ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গৃহীত নতুন এই সিদ্ধান্ত ২৫ অক্টোবর সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। ২৫ অক্টোবর (রবিবার) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক গমন ও যাতায়াতের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা ও সিদ্। পর্যটকদের সুবিধার্থে চলছে নানা ধরনের প্রস্তুতি।
দ্বীপের পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবার কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সেন্টমার্টিনে দৈনিক পর্যটকের সংখ্যা ৩,৫০০ জনের বেশি হতে পারবে না। এছাড়া, দ্বীপের পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রতিটি পর্যটককে ১০০ টাকা করে ফি প্রদান করতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৬-এর ২৬ নম্বর বিধি অনুসারে এই ফি সংগ্রহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পর্যটক সংখ্যা সীমিতকরণ: সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকের সংখ্যা গড়ে প্রতিদিন ৩,৫০০ (তিন হাজার পাঁচশত) জনের অধিক হবে না। পরিবেশ সংরক্ষণ ফি: সেন্টমার্টিন দ্বীপে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি বাবদ পর্যটক প্রতি ১০০ (একশত) টাকা করে দিতে হবে।
উল্লেখ্য যে, পর্যটন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ড, পুলিশ সুপার (কক্সবাজার) এবং ট্যুরিস্ট পুলিশকে সমন্বিত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে বিগত ২২ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের সকল নির্দেশনাও বহাল থাকবে বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। জাহাজ চলাচল: টেকনাফের পরিবর্তে শুধুমাত্র নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজসমূহ চলাচল অব্যাহত থাকবে।


























