সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের রাতে থাকার বিভ্রান্তি কাটল
- আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
অবশেষে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে পর্যটকদের রাতের অবস্থান নিয়ে তৈরি হওয়া দীর্ঘদিনের বিভ্রান্তি দূর হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিনে যাতায়াতের পাশাপাশি নিয়মিত রাতেও অবস্থান করতে পারবেন। এ বিষয়ে আগে জারি করা আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে ২৭ অক্টোবর নতুন করে সংশোধন আনা হয়েছে। ওই সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ২৫ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান জানিয়েছেন, নভেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসের ভ্রমণ সংক্রান্ত নির্দেশনায় যে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছিল, তা সংশোধনের মাধ্যমে দূর করা হয়েছে। ফলে পর্যটকেরা এখন পুরো মৌসুমেই দ্বীপে নির্বিঘ্নে থাকার সুযোগ পাচ্ছেন। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দ্বীপে রাতযাপনের সুযোগ থাকবে। বিষয়টি নিয়ে ‘’য় খবর প্রকাশের পর রাতযাপনের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১২ অক্টোবর আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
তবে ২৫ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনায় গত ২২ অক্টোবর ঘোষিত প্রজ্ঞাপনের বিধিনিষেধ বহাল রাখা হয়েছিল, যা নিয়ে হোটেল ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এতে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা বহাল রাখা হয়েছিল।
ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নভেম্বর মাসে শুধু দিনের বেলায় পর্যটকদের যাতায়াতের সীমাবদ্ধতা ছিল। পরবর্তীতে সৃষ্ট আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সংশোধিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়ায় বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে নিয়মিত জাহাজ চলাচল করবে। এ ক্ষেত্রে দ্বীপে দৈনিক পর্যটক আগমনের সীমা বাড়িয়ে সাড়ে ৩ হাজার নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যটকদের দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় জনপ্রতি ১০০ টাকা করে সংরক্ষণ ফি পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া, আগের বছরের নিয়ম অনুযায়ী এবারও পর্যটকদের ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করতে হবে, যার কারিগরি প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। প্রত্যেক পর্যটককে দিতে হবে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি।
দ্বীপের পরিবেশ সুরক্ষায় আরোপিত বিধিনিষেধসমূহ
- সমুদ্রসৈকতে রাতে কোনো অবস্থাতেই আলো জ্বালানো যাবে না।
- সৈকত এলাকায় উচ্চশব্দ সৃষ্টি করা এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ।
- কেয়াবনে প্রবেশ করা এবং কেয়া ফল সংগ্রহ ও ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না।
- সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া এবং শৈবালের মতো জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা দণ্ডনীয়।
- সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল বা সি-বাইকের মতো যান্ত্রিক যানবাহন চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- গত বছরের প্রজ্ঞাপনে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। সেগুলো হলো।
- এশিয়ার সেরা ২০ সমুদ্রসৈকতের তালিকায় কক্সবাজার কি আছে।

























