ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট: চরম ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) পার্কিংয়ের দাবির জেরে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকরা দিনব্যাপী ধর্মঘট পালন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতির কারণে পুরো হাসপাতালে সেবা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন ঢাকার বাইরে থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী এবং স্বজনরা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও অ্যাম্বুলেন্স না মেলায় অনেককে নিরুপায় হয়ে রোগী ও স্বজনের মরদেহ পিকআপ ভ্যান, রিকশা, ভ্যান কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে নিয়ে যেতে হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ধর্মঘটের প্রভাবে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মালিক সমিতির অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি অন্যান্য অ্যাম্বুলেন্সগুলোকেও হাসপাতালে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এদিকে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সগুলোকেও রোগী পরিবহনে তেমন তৎপর দেখা যায়নি। সব মিলিয়ে দিনভর পরিবহন সংকট চরমে পৌঁছায়। কোনো কোনো স্বজনকে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা, আবার কাউকে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অ্যাম্বুলেন্সের অপেক্ষায় হাসপাতালের মেঝে বা বারান্দায় সময় কাটাতে হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে অন্য হাসপাতালে রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও স্বজনরা চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট, কলেজ গেট ও নতুন ভবনসহ আশপাশের এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সের উপস্থিতি থাকলেও চালকরা কোনো রোগী পরিবহনে সম্মত হননি, যা রোগীদের জন্য এক মানবিক সংকটের জন্ম দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট: চরম ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা

আপডেট সময় : ১১:৫১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) পার্কিংয়ের দাবির জেরে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকরা দিনব্যাপী ধর্মঘট পালন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতির কারণে পুরো হাসপাতালে সেবা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন ঢাকার বাইরে থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী এবং স্বজনরা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও অ্যাম্বুলেন্স না মেলায় অনেককে নিরুপায় হয়ে রোগী ও স্বজনের মরদেহ পিকআপ ভ্যান, রিকশা, ভ্যান কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে নিয়ে যেতে হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ধর্মঘটের প্রভাবে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মালিক সমিতির অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি অন্যান্য অ্যাম্বুলেন্সগুলোকেও হাসপাতালে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এদিকে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সগুলোকেও রোগী পরিবহনে তেমন তৎপর দেখা যায়নি। সব মিলিয়ে দিনভর পরিবহন সংকট চরমে পৌঁছায়। কোনো কোনো স্বজনকে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা, আবার কাউকে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অ্যাম্বুলেন্সের অপেক্ষায় হাসপাতালের মেঝে বা বারান্দায় সময় কাটাতে হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে অন্য হাসপাতালে রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও স্বজনরা চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট, কলেজ গেট ও নতুন ভবনসহ আশপাশের এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সের উপস্থিতি থাকলেও চালকরা কোনো রোগী পরিবহনে সম্মত হননি, যা রোগীদের জন্য এক মানবিক সংকটের জন্ম দেয়।