ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

পারস্পরিক শ্রদ্ধায় সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় স্বার্থ, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং আত্মমর্যাদা রক্ষা করাই আগামীর বাংলাদেশের প্রধান অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার সাভারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ।

পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড কেবল একটি পতাকা নয়, এটি প্রতিটি ইউনিটের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক। তিনি আরও বলেন, এই জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা ও অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। নতুনভাবে এই পতাকা অর্পণের মাধ্যমে সৈনিকদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের শপথ নিতে হবে, কারণ পতাকার সম্মান রক্ষা করা সব সদস্যের পবিত্র ও সর্বোচ্চ দায়িত্ব। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেই জাতীয় পতাকা আপনাদের হাতে তুলে দেয়া হলো। তবে প্রযুক্তি কখনোই মানুষের বিকল্প নয়।

সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সময়ে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা হলেও আমাদের মনে রাখতে হবে যে, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমেই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর জন্ম। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে স্বাধীনতাকামী মানুষের ওপর হামলার পর চট্টগ্রামের অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপঅধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমানের ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণার বিষয়টি তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির উৎস কেবল অস্ত্র বা জনবল নয়; বরং শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের আস্থার সমন্বয়েই বাহিনী গঠিত হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সংবিধান, আইন, সামরিক বিধি এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থাকা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা। বর্তমান সরকার সেনাবাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে দেশেই অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদন সম্ভব হয়। তবে প্রযুক্তির চেয়েও মানুষের দক্ষতা ও সমন্বিত কার্যকারিতার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীকে যেকোনো মুহূর্তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সক্ষমতা অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। সর্বোপরি চেইন অব কমান্ড।আমরা সশস্ত্রবাহিনীকে আরো প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ, পেশাদার এবং সর্বাধুনিক হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।’।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পারস্পরিক শ্রদ্ধায় সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:১৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় স্বার্থ, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং আত্মমর্যাদা রক্ষা করাই আগামীর বাংলাদেশের প্রধান অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার সাভারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ।

পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড কেবল একটি পতাকা নয়, এটি প্রতিটি ইউনিটের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক। তিনি আরও বলেন, এই জাতীয় পতাকা স্বাধীনতা ও অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। নতুনভাবে এই পতাকা অর্পণের মাধ্যমে সৈনিকদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের শপথ নিতে হবে, কারণ পতাকার সম্মান রক্ষা করা সব সদস্যের পবিত্র ও সর্বোচ্চ দায়িত্ব। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেই জাতীয় পতাকা আপনাদের হাতে তুলে দেয়া হলো। তবে প্রযুক্তি কখনোই মানুষের বিকল্প নয়।

সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সময়ে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা হলেও আমাদের মনে রাখতে হবে যে, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমেই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর জন্ম। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে স্বাধীনতাকামী মানুষের ওপর হামলার পর চট্টগ্রামের অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপঅধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমানের ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণার বিষয়টি তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির উৎস কেবল অস্ত্র বা জনবল নয়; বরং শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের আস্থার সমন্বয়েই বাহিনী গঠিত হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সংবিধান, আইন, সামরিক বিধি এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থাকা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা। বর্তমান সরকার সেনাবাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে দেশেই অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদন সম্ভব হয়। তবে প্রযুক্তির চেয়েও মানুষের দক্ষতা ও সমন্বিত কার্যকারিতার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীকে যেকোনো মুহূর্তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সক্ষমতা অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। সর্বোপরি চেইন অব কমান্ড।আমরা সশস্ত্রবাহিনীকে আরো প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ, পেশাদার এবং সর্বাধুনিক হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।’।