ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

মরিনিওর শেষ এল ক্লাসিকোর রিয়াল একাদশের তারকারা এখন কে কোথায়?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সময় কত কিছুই না বদলে দেয়!

একসময় সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর সবুজ মাঠ মাতিয়ে রাখা নায়কেরা এখন ভিন্ন ভিন্ন পথে হাঁটছেন। একসময় নিজে মাঠের মধ্যমণি ছিলেন, এখন অন্যদের সেই জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

কেউ ফুটবলার তৈরির কারিগর, কেউ পা বাড়িয়েছেন কোচিংয়ে, কেউ বা যোগ দিয়েছেন ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদে। এই একাডেমি থেকেই উঠে এসেছেন মোহাম্মদ কুদুস, সিমন আদিংগ্রা ও কালেব ইয়েরেঙ্কির মতো ফুটবলার।

ক্লাবটি এরই মধ্যে বিনা ট্রান্সফার ফিতে দানি কারভাহালকে দলে নিয়েছে। সম্ভাব্য খেলোয়াড়দের তালিকায় সে আছে।’।

কারণ, অনেক দিন ধরেই আমরা বিষয়টি নিয়ে ভাবছি।

এমনকি কেউ কেউ বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এখনো মাঠে লড়ছেন, আবার ফুটবল ছেড়ে পুরোদস্তুর জেলে বনে যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে। কিন্তু বুটজোড়া তুলে রাখার ইচ্ছা এখনো নেই। তাঁর দায়িত্ব মূলত তরুণ ফুটবলারদের উন্নয়ন।

দীর্ঘ ১৩ বছর পর পর্তুগিজ কোচ জোসে মরিনিও যখন আবারো এল ক্লাসিকোর ডাগআউটে ফিরছেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—তাঁর সেই ঐতিহাসিক একাদশের খেলোয়াড়েরা এখন কে কোথায় আছেন? এই একাদশের সবচেয়ে চমকপ্রদ গল্পটা সম্ভবত ফাবিও কোয়েন্ত্রাওয়ের। ২০২১ সালে বলেছিলেন, ‘আমার বাবার নৌকা ছিল। তারপর কেটে গেছে ১৩ বছরের বেশি। ২০২৫ সালে অনুমোদনহীন ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে পর্তুগিজ কর্তৃপক্ষ ফাবিওর কাছ থেকে এক টনের বেশি ঝিনুকজাতীয় সামুদ্রিক খাবার জব্দ করে। পরের গল্পটা তো ফুটবল ইতিহাসেরই অংশ।

মরিনিওর শেষ এল ক্লাসিকোর একাদশে থাকা ১১ ফুটবলার এখন কোথায়, কী করছেন। তবে নতুন জীবনেও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি।

এল ক্লাসিকোর ফল ঠিক করে দিতে পারে যে পাঁচ প্রশ্নের উত্তর।

মরিনিওর সেই ঐতিহাসিক একাদশ ও তাঁদের বর্তমান অবস্থা

  • দিয়েগো লোপেজ (বিতর্ক থেকে কোচিংয়ে)ইকার ক্যাসিয়াসকে বসিয়ে লোপেজকে সুযোগ দেওয়া নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক হয়েছিল। ৪ু০ বছর পার করে লা লিগার দল রায়ো ভায়েকানো হয়ে গ্লাভস তুলে রাখেন তিনি। পরে রিয়াল মাদ্রিদ কাস্তিয়া দলের গোলকিপিং কোচ হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে মূল দলের সহকারী কোচিং স্টাফে মরিনিওর সাথেই দায়িত্ব পালন করছেন।
  • সের্হিও রামোস (শেষ নাচের অপেক্ষা)বয়স ৪০ ছুঁইছুঁই হলেও এখনো অবসরের ঘোষণা দেননি এই বর্ষীয়ান ডিফেন্ডার। গত ডিসেম্বরে মেক্সিকোর দল মন্তেরেই ছাড়ার পর বর্তমানে তিনি ক্লাবহীন। ফ্রিতে দানি কারভাহালকে নেওয়া স্প্যানিশ ক্লাব হেতাফে তাঁকে দলে ভেড়াতে আগ্রহী। ক্লাব সভাপতি আনহেল তোরেস জানান, রামোসকে দলে নেওয়ার বিষয়টি তাঁদের ভাবনায় রয়েছে।
  • রাফায়েল ভারান (মাঠ থেকে বোর্ডরুমে)ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে ইতালির দল কোমোতে যোগ দেওয়ার পর মাত্র এক ম্যাচ খেলেই চোটের কারণে অবসর নিতে বাধ্য হন ভারান। তবে ক্লাব কোমো তাঁকে পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করে তরুণ ফুটবলার উন্নয়নের দায়িত্ব দিয়েছে।
  • পেপে (ফুটবল ছাড়লেও মাঠে উপস্থিতি)২০২৪ সালে নিজের পুরোনো ক্লাব পোর্তো থেকে অবসর নেন এই পর্তুগিজ কিংবদন্তি। মরিনিও তাঁকে কোচিং স্টাফে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। মাঝেমধ্যে রিয়ালের প্রীতি ম্যাচে তাঁকে দেখা যায়।
  • ফাবিও কোয়েন্ত্রাও (সমুদ্রের জীবন)ফুটবল ছাড়ার পর পারিবারিক ঐতিহ্য মেনে মাছ ধরাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন কোয়েন্ত্রাও। বর্তমানে তিনি নিজে মাছ ধরার নৌকার মালিক ও পেশাদার জেলে। যদিও ২০২৫ সালে অনুমোদনহীন সামুদ্রিক খাবারের ব্যবসার অভিযোগে তাঁর এক টনেরও বেশি পণ্য জব্দ করে পর্তুগিজ কর্তৃপক্ষ।
  • মাইকেল এসিয়েন (প্রতিভা গড়ার কারিগর)২০২০ সাল থেকে ডেনমার্কের ক্লাব নর্ডসিয়াল্যান্ডের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করছেন ঘানার এই সাবেক তারকা। ক্লাবটির সাথে যুক্ত রাইট টু ড্রিম একাডেমির মাধ্যমে তিনি তরুণ আফ্রিকান প্রতিভাদের তৈরি করছেন।
  • লুকা মদরিচ (বয়স শুধুই সংখ্যা)মরিনিওর আস্থায় রিয়ালে ক্যারিয়ার শুরু করা মদরিচ ২০২৫ সালে এসি মিলানে যোগ দেন। ৪১ বছর বয়সেও ইতালিয়ান সিরি ‘আ’-তে সমান তালে খেলে যাচ্ছেন এই ক্রোয়েশিয়ান তারকা।
  • হোসে কায়েখন (প্রচারণার বাইরে)২০২৫ সালে স্পেনের তৃতীয় বিভাগের ক্লাব মারবেইয়ায় খেলে অবসর নেওয়ার পর নিজের শহরের ক্লাব পুয়ের্তো মোত্রিলে কিছু দিন খেলেন। বর্তমানে প্রচারের আলো থেকে দূরে আছেন তিনি।
  • কাকা (ক্রীড়া বিপণন ও ডাগআউটের স্বপ্ন)২০১৭ সালে ফুটবল ছাড়ার পর ফিফা ও স্পোর্টস বিজনেস নিয়ে কাজ করছেন ব্রাজিলীয় তারকা কাকা। তবে ভবিষ্যতে ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে যোগ দেওয়ার বিষয়ে নিজের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন তিনি।
  • আলভারো মোরাতা (দ্বিতীয় বিভাগে প্রত্যাবর্তন)মরিনিওর হাত ধরে রিয়ালের মূল দলে আসা মোরাতা সম্প্রতি জুভেন্টাস ও আতলেতিকো ঘুরে ইতালির কোমোর হয়ে গত মৌসুমে ৩০ ম্যাচে মাত্র ১টি গোল পান। বর্তমানে ধারে লেগানেসে খেলে স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগে নেমে গেছেন তিনি।
  • করিম বেনজেমা (ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত)২০১৩ সালের ক্লাসিকোয় প্রথম গোল করা ফরাসি স্ট্রাইকার বেনজেমার সাথে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সৌদি প্রো লিগের চুক্তি রয়েছে। তবে সম্প্রতি আল হিলালের সাথে চুক্তি বাতিলের আলোচনার খবর এসেছে এবং তাঁর ভবিষ্যৎ অনেকটাই অনিশ্চিত।

২০১৩ সালের মার্চে মরিনিওর শেষ ক্লাসিকো ম্যাচে করিম বেনজেমা ও সের্হিও রামোসের গোল বার্সেলোনাকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করতে সাহায্য করেছিল, যেখানে বার্সার একমাত্র গোলটি করেছিলেন লিওনেল মেসি। রামোসের রক্ষণসঙ্গী রাফায়েল ভারানের শেষটা অবশ্য সুখকর হয়নি। রিয়ালে ক্যারিয়ারের শুরুটা ভালো হয়নি লুকা মদরিচের।

দীর্ঘ ১৩ বছর পর মরিনিও লা লিগায় শীর্ষ ছন্দে থাকা বার্সেলোনার মুখোমুখি হতে চললেও তাঁর সেই দিনের প্রধান দলটির খেলোয়াড়েরা ফুটবল ও জীবনের নানামুখী পথে ছড়িয়ে পড়েছেন।

লা লিগায় দুর্দান্ত ছন্দে থাকা বার্সেলোনার বিপক্ষে এবার রিয়ালের সামনে ব্যবধান কমানোর চ্যালেঞ্জও।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • রামোসের মতো ফুটবলারের ক্যারিয়ার নিশ্চয়ই নীরবে শেষ হওয়ার নয়। হয়তো অপেক্ষায় আছে শেষ কোনো চমক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মরিনিওর শেষ এল ক্লাসিকোর রিয়াল একাদশের তারকারা এখন কে কোথায়?

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সময় কত কিছুই না বদলে দেয়!

একসময় সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর সবুজ মাঠ মাতিয়ে রাখা নায়কেরা এখন ভিন্ন ভিন্ন পথে হাঁটছেন। একসময় নিজে মাঠের মধ্যমণি ছিলেন, এখন অন্যদের সেই জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

কেউ ফুটবলার তৈরির কারিগর, কেউ পা বাড়িয়েছেন কোচিংয়ে, কেউ বা যোগ দিয়েছেন ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদে। এই একাডেমি থেকেই উঠে এসেছেন মোহাম্মদ কুদুস, সিমন আদিংগ্রা ও কালেব ইয়েরেঙ্কির মতো ফুটবলার।

ক্লাবটি এরই মধ্যে বিনা ট্রান্সফার ফিতে দানি কারভাহালকে দলে নিয়েছে। সম্ভাব্য খেলোয়াড়দের তালিকায় সে আছে।’।

কারণ, অনেক দিন ধরেই আমরা বিষয়টি নিয়ে ভাবছি।

এমনকি কেউ কেউ বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এখনো মাঠে লড়ছেন, আবার ফুটবল ছেড়ে পুরোদস্তুর জেলে বনে যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে। কিন্তু বুটজোড়া তুলে রাখার ইচ্ছা এখনো নেই। তাঁর দায়িত্ব মূলত তরুণ ফুটবলারদের উন্নয়ন।

দীর্ঘ ১৩ বছর পর পর্তুগিজ কোচ জোসে মরিনিও যখন আবারো এল ক্লাসিকোর ডাগআউটে ফিরছেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—তাঁর সেই ঐতিহাসিক একাদশের খেলোয়াড়েরা এখন কে কোথায় আছেন? এই একাদশের সবচেয়ে চমকপ্রদ গল্পটা সম্ভবত ফাবিও কোয়েন্ত্রাওয়ের। ২০২১ সালে বলেছিলেন, ‘আমার বাবার নৌকা ছিল। তারপর কেটে গেছে ১৩ বছরের বেশি। ২০২৫ সালে অনুমোদনহীন ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে পর্তুগিজ কর্তৃপক্ষ ফাবিওর কাছ থেকে এক টনের বেশি ঝিনুকজাতীয় সামুদ্রিক খাবার জব্দ করে। পরের গল্পটা তো ফুটবল ইতিহাসেরই অংশ।

মরিনিওর শেষ এল ক্লাসিকোর একাদশে থাকা ১১ ফুটবলার এখন কোথায়, কী করছেন। তবে নতুন জীবনেও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি।

এল ক্লাসিকোর ফল ঠিক করে দিতে পারে যে পাঁচ প্রশ্নের উত্তর।

মরিনিওর সেই ঐতিহাসিক একাদশ ও তাঁদের বর্তমান অবস্থা

  • দিয়েগো লোপেজ (বিতর্ক থেকে কোচিংয়ে)ইকার ক্যাসিয়াসকে বসিয়ে লোপেজকে সুযোগ দেওয়া নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক হয়েছিল। ৪ু০ বছর পার করে লা লিগার দল রায়ো ভায়েকানো হয়ে গ্লাভস তুলে রাখেন তিনি। পরে রিয়াল মাদ্রিদ কাস্তিয়া দলের গোলকিপিং কোচ হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে মূল দলের সহকারী কোচিং স্টাফে মরিনিওর সাথেই দায়িত্ব পালন করছেন।
  • সের্হিও রামোস (শেষ নাচের অপেক্ষা)বয়স ৪০ ছুঁইছুঁই হলেও এখনো অবসরের ঘোষণা দেননি এই বর্ষীয়ান ডিফেন্ডার। গত ডিসেম্বরে মেক্সিকোর দল মন্তেরেই ছাড়ার পর বর্তমানে তিনি ক্লাবহীন। ফ্রিতে দানি কারভাহালকে নেওয়া স্প্যানিশ ক্লাব হেতাফে তাঁকে দলে ভেড়াতে আগ্রহী। ক্লাব সভাপতি আনহেল তোরেস জানান, রামোসকে দলে নেওয়ার বিষয়টি তাঁদের ভাবনায় রয়েছে।
  • রাফায়েল ভারান (মাঠ থেকে বোর্ডরুমে)ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে ইতালির দল কোমোতে যোগ দেওয়ার পর মাত্র এক ম্যাচ খেলেই চোটের কারণে অবসর নিতে বাধ্য হন ভারান। তবে ক্লাব কোমো তাঁকে পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করে তরুণ ফুটবলার উন্নয়নের দায়িত্ব দিয়েছে।
  • পেপে (ফুটবল ছাড়লেও মাঠে উপস্থিতি)২০২৪ সালে নিজের পুরোনো ক্লাব পোর্তো থেকে অবসর নেন এই পর্তুগিজ কিংবদন্তি। মরিনিও তাঁকে কোচিং স্টাফে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। মাঝেমধ্যে রিয়ালের প্রীতি ম্যাচে তাঁকে দেখা যায়।
  • ফাবিও কোয়েন্ত্রাও (সমুদ্রের জীবন)ফুটবল ছাড়ার পর পারিবারিক ঐতিহ্য মেনে মাছ ধরাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন কোয়েন্ত্রাও। বর্তমানে তিনি নিজে মাছ ধরার নৌকার মালিক ও পেশাদার জেলে। যদিও ২০২৫ সালে অনুমোদনহীন সামুদ্রিক খাবারের ব্যবসার অভিযোগে তাঁর এক টনেরও বেশি পণ্য জব্দ করে পর্তুগিজ কর্তৃপক্ষ।
  • মাইকেল এসিয়েন (প্রতিভা গড়ার কারিগর)২০২০ সাল থেকে ডেনমার্কের ক্লাব নর্ডসিয়াল্যান্ডের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করছেন ঘানার এই সাবেক তারকা। ক্লাবটির সাথে যুক্ত রাইট টু ড্রিম একাডেমির মাধ্যমে তিনি তরুণ আফ্রিকান প্রতিভাদের তৈরি করছেন।
  • লুকা মদরিচ (বয়স শুধুই সংখ্যা)মরিনিওর আস্থায় রিয়ালে ক্যারিয়ার শুরু করা মদরিচ ২০২৫ সালে এসি মিলানে যোগ দেন। ৪১ বছর বয়সেও ইতালিয়ান সিরি ‘আ’-তে সমান তালে খেলে যাচ্ছেন এই ক্রোয়েশিয়ান তারকা।
  • হোসে কায়েখন (প্রচারণার বাইরে)২০২৫ সালে স্পেনের তৃতীয় বিভাগের ক্লাব মারবেইয়ায় খেলে অবসর নেওয়ার পর নিজের শহরের ক্লাব পুয়ের্তো মোত্রিলে কিছু দিন খেলেন। বর্তমানে প্রচারের আলো থেকে দূরে আছেন তিনি।
  • কাকা (ক্রীড়া বিপণন ও ডাগআউটের স্বপ্ন)২০১৭ সালে ফুটবল ছাড়ার পর ফিফা ও স্পোর্টস বিজনেস নিয়ে কাজ করছেন ব্রাজিলীয় তারকা কাকা। তবে ভবিষ্যতে ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে যোগ দেওয়ার বিষয়ে নিজের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন তিনি।
  • আলভারো মোরাতা (দ্বিতীয় বিভাগে প্রত্যাবর্তন)মরিনিওর হাত ধরে রিয়ালের মূল দলে আসা মোরাতা সম্প্রতি জুভেন্টাস ও আতলেতিকো ঘুরে ইতালির কোমোর হয়ে গত মৌসুমে ৩০ ম্যাচে মাত্র ১টি গোল পান। বর্তমানে ধারে লেগানেসে খেলে স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগে নেমে গেছেন তিনি।
  • করিম বেনজেমা (ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত)২০১৩ সালের ক্লাসিকোয় প্রথম গোল করা ফরাসি স্ট্রাইকার বেনজেমার সাথে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সৌদি প্রো লিগের চুক্তি রয়েছে। তবে সম্প্রতি আল হিলালের সাথে চুক্তি বাতিলের আলোচনার খবর এসেছে এবং তাঁর ভবিষ্যৎ অনেকটাই অনিশ্চিত।

২০১৩ সালের মার্চে মরিনিওর শেষ ক্লাসিকো ম্যাচে করিম বেনজেমা ও সের্হিও রামোসের গোল বার্সেলোনাকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করতে সাহায্য করেছিল, যেখানে বার্সার একমাত্র গোলটি করেছিলেন লিওনেল মেসি। রামোসের রক্ষণসঙ্গী রাফায়েল ভারানের শেষটা অবশ্য সুখকর হয়নি। রিয়ালে ক্যারিয়ারের শুরুটা ভালো হয়নি লুকা মদরিচের।

দীর্ঘ ১৩ বছর পর মরিনিও লা লিগায় শীর্ষ ছন্দে থাকা বার্সেলোনার মুখোমুখি হতে চললেও তাঁর সেই দিনের প্রধান দলটির খেলোয়াড়েরা ফুটবল ও জীবনের নানামুখী পথে ছড়িয়ে পড়েছেন।

লা লিগায় দুর্দান্ত ছন্দে থাকা বার্সেলোনার বিপক্ষে এবার রিয়ালের সামনে ব্যবধান কমানোর চ্যালেঞ্জও।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • রামোসের মতো ফুটবলারের ক্যারিয়ার নিশ্চয়ই নীরবে শেষ হওয়ার নয়। হয়তো অপেক্ষায় আছে শেষ কোনো চমক।