ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

সৌদি, আরব আমিরাত ও তুরস্কে থাকা মার্কিন ঘাঁটি উড়িয়ে দেবে ইরান

Live News Bangla71
  • আপডেট সময় : ১০:০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি ইরানে হামলা চালায়, তবে ওই অঞ্চলের দেশগুলোর মাটিতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানা হবে।
বুধবার একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে এ কথা জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘তেহরান সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শুরু করে তুরস্ক পর্যন্ত আঞ্চলিক দেশগুলোকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে ওই দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত করা হবে।’

তিনি আরও জানান, ইরান এসব দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলা ঠেকাতে চেষ্টা করার অনুরোধও জানিয়েছে।

এদিকে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ গড়িয়েছে তৃতীয় সপ্তাহে। জানা গেছে, এই বিক্ষোভের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে চলেছে তেহরান। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর মতে, গত সপ্তাহে গ্রেফতার হওয়া বিক্ষোভকারী এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ড বুধবারের (১৪ জানুয়ারি) মধ্যে কার্যকর করা হতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এরফান সোলতানি ইরানে বুধবার মৃত্যুদণ্ডের মুখে পড়তে পারেন। গত বৃহস্পতিবার গ্রেফতারের পর তার বিচার, দোষী সাব্যস্তকরণ ও সাজা ঘোষণা করা হয়।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২৬ বছর বয়সি সোলতানিকে তেহরানের উত্তর-পশ্চিম উপকণ্ঠের শহর কারাজ থেকে গ্রেফতার করা হয়। ইন্টারনেট বন্ধের আগে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ যখন চরমে পৌঁছেছিল, তখন গ্রেফতারের এ ঘটনা ঘটে। গার্ডিয়ানের তথ্যানুসারে, গত সপ্তাহে গ্রেফতার হওয়া হাজারো বিক্ষোভকারীর মধ্যে এরফান একজন।

এরফানের মামলাটি তুলে ধরে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সতর্ক করেছে যে, ইরানি কর্তৃপক্ষ ‘ভিন্নমত দমন’ ও ‘ভয় দেখাতে’ আবারও দ্রুত বিচার ও নির্বিচার মৃত্যুদণ্ডের পথে হাঁটতে পারে।

অ্যামনেস্টির সংগ্রহ করা তথ্য অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, কর্মকর্তারা এরফান সোলতানির পরিবারকে বলেছেন যে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সংগঠনটি জানায়, ব্যাপক বিক্ষোভ ও সরকারের ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যে ৮ জানুয়ারি থেকে সোলতানির সঙ্গে তার স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সৌদি, আরব আমিরাত ও তুরস্কে থাকা মার্কিন ঘাঁটি উড়িয়ে দেবে ইরান

আপডেট সময় : ১০:০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি ইরানে হামলা চালায়, তবে ওই অঞ্চলের দেশগুলোর মাটিতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানা হবে।
বুধবার একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে এ কথা জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘তেহরান সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শুরু করে তুরস্ক পর্যন্ত আঞ্চলিক দেশগুলোকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে ওই দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত করা হবে।’

তিনি আরও জানান, ইরান এসব দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলা ঠেকাতে চেষ্টা করার অনুরোধও জানিয়েছে।

এদিকে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ গড়িয়েছে তৃতীয় সপ্তাহে। জানা গেছে, এই বিক্ষোভের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে চলেছে তেহরান। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর মতে, গত সপ্তাহে গ্রেফতার হওয়া বিক্ষোভকারী এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ড বুধবারের (১৪ জানুয়ারি) মধ্যে কার্যকর করা হতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এরফান সোলতানি ইরানে বুধবার মৃত্যুদণ্ডের মুখে পড়তে পারেন। গত বৃহস্পতিবার গ্রেফতারের পর তার বিচার, দোষী সাব্যস্তকরণ ও সাজা ঘোষণা করা হয়।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২৬ বছর বয়সি সোলতানিকে তেহরানের উত্তর-পশ্চিম উপকণ্ঠের শহর কারাজ থেকে গ্রেফতার করা হয়। ইন্টারনেট বন্ধের আগে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ যখন চরমে পৌঁছেছিল, তখন গ্রেফতারের এ ঘটনা ঘটে। গার্ডিয়ানের তথ্যানুসারে, গত সপ্তাহে গ্রেফতার হওয়া হাজারো বিক্ষোভকারীর মধ্যে এরফান একজন।

এরফানের মামলাটি তুলে ধরে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সতর্ক করেছে যে, ইরানি কর্তৃপক্ষ ‘ভিন্নমত দমন’ ও ‘ভয় দেখাতে’ আবারও দ্রুত বিচার ও নির্বিচার মৃত্যুদণ্ডের পথে হাঁটতে পারে।

অ্যামনেস্টির সংগ্রহ করা তথ্য অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, কর্মকর্তারা এরফান সোলতানির পরিবারকে বলেছেন যে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সংগঠনটি জানায়, ব্যাপক বিক্ষোভ ও সরকারের ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যে ৮ জানুয়ারি থেকে সোলতানির সঙ্গে তার স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।