ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

এআই ব্যবহারে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ওপর মানুষের নির্ভরতা বাড়ছে। তবে এই প্রযুক্তিগুলো সচল রাখার জন্য বিশাল আকারের ডেটা বা তথ্যের ভাণ্ডার প্রয়োজন হয়। উদ্বেগের বিষয় হলো, এই তথ্যের একটি বড় অংশ আসে সরাসরি সাধারণ ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড থেকে। আমাদের আপলোড করা প্রতিটি ছবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখা প্রতিটি পোস্ট, এমনকি আমাদের কণ্ঠস্বরের নমুনাও এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

দিন দিন যত বেশি মানুষ এসব এআই টুল ব্যবহার করছেন, ততই সমৃদ্ধ হচ্ছে এই বিশাল তথ্যভান্ডার। ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের এই ব্যবহার নিয়ে সাইবার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে নানা প্রশ্ন উঠছে। ব্যবহারকারী হিসেবে আমরা যখন কোনো এআই টুল ব্যবহার করছি, তখন নিজের অজান্তেই সেই অ্যাপ বা ওয়েবসাইটকে বিশাল পরিমাণ তথ্যের জোগান দিচ্ছি।

প্রযুক্তির এই যুগে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা আগের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের মাধ্যমে আমাদের প্রতিদিনের ডিজিটাল পদচিহ্নগুলো কোনো না কোনোভাবে এআই কোম্পানির ডেটাসেন্টারে জমা হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা কতটা সচেতন থাকলে নিজের তথ্য নিরাপদ রাখতে পারবেন, তা এখন প্রযুক্তিবিদের কাছেও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তথ্য সংগ্রহের এই বিশাল প্রক্রিয়ায় ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও তথ্যের মালিকানা নিয়ে যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, সে বিষয়ে ব্যবহারকারীদের সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এআই ব্যবহারে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

আপডেট সময় : ১০:৩২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ওপর মানুষের নির্ভরতা বাড়ছে। তবে এই প্রযুক্তিগুলো সচল রাখার জন্য বিশাল আকারের ডেটা বা তথ্যের ভাণ্ডার প্রয়োজন হয়। উদ্বেগের বিষয় হলো, এই তথ্যের একটি বড় অংশ আসে সরাসরি সাধারণ ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড থেকে। আমাদের আপলোড করা প্রতিটি ছবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখা প্রতিটি পোস্ট, এমনকি আমাদের কণ্ঠস্বরের নমুনাও এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

দিন দিন যত বেশি মানুষ এসব এআই টুল ব্যবহার করছেন, ততই সমৃদ্ধ হচ্ছে এই বিশাল তথ্যভান্ডার। ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের এই ব্যবহার নিয়ে সাইবার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে নানা প্রশ্ন উঠছে। ব্যবহারকারী হিসেবে আমরা যখন কোনো এআই টুল ব্যবহার করছি, তখন নিজের অজান্তেই সেই অ্যাপ বা ওয়েবসাইটকে বিশাল পরিমাণ তথ্যের জোগান দিচ্ছি।

প্রযুক্তির এই যুগে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা আগের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের মাধ্যমে আমাদের প্রতিদিনের ডিজিটাল পদচিহ্নগুলো কোনো না কোনোভাবে এআই কোম্পানির ডেটাসেন্টারে জমা হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা কতটা সচেতন থাকলে নিজের তথ্য নিরাপদ রাখতে পারবেন, তা এখন প্রযুক্তিবিদের কাছেও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তথ্য সংগ্রহের এই বিশাল প্রক্রিয়ায় ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও তথ্যের মালিকানা নিয়ে যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, সে বিষয়ে ব্যবহারকারীদের সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।