ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা প্রকাশ করলেন বিল গেটস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অভাবনীয় ও দ্রুত বিকাশ বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। সম্প্রতি ‘ডিকোডার’ পডকাস্টের এক সাক্ষাৎকারে ৭০ বছর বয়সী এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, প্রযুক্তিনির্ভর নতুন অর্থনীতির এই রূপান্তরকাল প্রায় দুই দশক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। গেটস স্পষ্ট করেছেন যে, এটি কোনো সুনির্দিষ্ট পূর্বাভাস নয়, বরং প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার একটি সম্ভাব্য গতিপথ। এই রূপান্তরকাল প্রায় ২০ বছর স্থায়ী হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং এর বিকাশের গতি নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তার ওপর সময়কাল কমবেশি হতে পারে। সাইবার হামলা ও জীববৈজ্ঞানিক হুমকি ঠেকাতে সরকারি নজরদারি এবং প্রযুক্তিগত সুরক্ষা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, এআইয়ের ঝুঁকি সামলানোর দায়িত্ব শুধু প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, এআই প্রযুক্তির এই বিশাল রূপান্তরের ফলে একদিকে যেমন অনেকে লাভবান হবেন, তেমনি অন্য একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। গেটসের মতে, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এই প্রযুক্তির দারুণ সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, আমাদের সরকার এবং সমাজ ব্যবস্থা এই দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে উঠতে পারেনি।

সবচেয়ে অনুকূল পরিস্থিতিতেও এআই প্রযুক্তির এই বিকাশ মানব ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ পরিবর্তন হিসেবে গণ্য হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এআইয়ের এই যাত্রা অনেক অস্থির সময় নিয়ে আসতে পারে যা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। আনাদোলুর তথ্যানুসারে, প্রযুক্তিটির বর্তমান গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করেই তিনি এই எச்சবার্তা দিয়েছেন। তার মতে, এআইয়ের কারণে চাকরির বাজারে বড় পরিবর্তন আসবে এবং মানুষের জীবনযাত্রাও বদলে যেতে পারে। তার মতে, এআই ও মানুষের মতো দেখতে রোবটের উন্নতির ফলে ভবিষ্যতে যন্ত্রই বাড়ি নির্মাণ, খাদ্য উৎপাদন এমনকি অস্ত্রোপচারের মতো অনেক কাজ করতে পারবে। তবে শিশুর যত্ন, রান্না, শিল্পকলা ও খেলাধুলার মতো কিছু কাজ মানুষ নিজেরাই করতে চাইতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা প্রকাশ করলেন বিল গেটস

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অভাবনীয় ও দ্রুত বিকাশ বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। সম্প্রতি ‘ডিকোডার’ পডকাস্টের এক সাক্ষাৎকারে ৭০ বছর বয়সী এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, প্রযুক্তিনির্ভর নতুন অর্থনীতির এই রূপান্তরকাল প্রায় দুই দশক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। গেটস স্পষ্ট করেছেন যে, এটি কোনো সুনির্দিষ্ট পূর্বাভাস নয়, বরং প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার একটি সম্ভাব্য গতিপথ। এই রূপান্তরকাল প্রায় ২০ বছর স্থায়ী হতে পারে বলে তিনি মনে করেন। প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং এর বিকাশের গতি নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তার ওপর সময়কাল কমবেশি হতে পারে। সাইবার হামলা ও জীববৈজ্ঞানিক হুমকি ঠেকাতে সরকারি নজরদারি এবং প্রযুক্তিগত সুরক্ষা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, এআইয়ের ঝুঁকি সামলানোর দায়িত্ব শুধু প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, এআই প্রযুক্তির এই বিশাল রূপান্তরের ফলে একদিকে যেমন অনেকে লাভবান হবেন, তেমনি অন্য একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। গেটসের মতে, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এই প্রযুক্তির দারুণ সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, আমাদের সরকার এবং সমাজ ব্যবস্থা এই দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে উঠতে পারেনি।

সবচেয়ে অনুকূল পরিস্থিতিতেও এআই প্রযুক্তির এই বিকাশ মানব ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ পরিবর্তন হিসেবে গণ্য হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এআইয়ের এই যাত্রা অনেক অস্থির সময় নিয়ে আসতে পারে যা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। আনাদোলুর তথ্যানুসারে, প্রযুক্তিটির বর্তমান গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করেই তিনি এই எச்சবার্তা দিয়েছেন। তার মতে, এআইয়ের কারণে চাকরির বাজারে বড় পরিবর্তন আসবে এবং মানুষের জীবনযাত্রাও বদলে যেতে পারে। তার মতে, এআই ও মানুষের মতো দেখতে রোবটের উন্নতির ফলে ভবিষ্যতে যন্ত্রই বাড়ি নির্মাণ, খাদ্য উৎপাদন এমনকি অস্ত্রোপচারের মতো অনেক কাজ করতে পারবে। তবে শিশুর যত্ন, রান্না, শিল্পকলা ও খেলাধুলার মতো কিছু কাজ মানুষ নিজেরাই করতে চাইতে পারে।