ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

এএফসি চ্যালেঞ্জ লীগে ফর্টিসের ঐতিহাসিক প্রথম জয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এএফসি চ্যালেঞ্জ লীগের গ্রুপ পর্ব থেকে আগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল ফর্টিস এফসির। কুয়েতের হাওয়ালিতে মোহামেদ আল হামাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘সি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে তাজিকিস্তানের ক্লাব এফসি রেগার-তাদাজকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশের এই দলটি। টুর্নামেন্টের মূল পর্বে এটি বাংলাদেশের কোনো ক্লাবের প্রথম জয়। এর আগে প্রথম ম্যাচে কুয়েতের আল কাদসিয়ার কাছে ৩-০ গোলে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের এফসি গোয়ার কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল ফর্টিস। ফলে শেষ ম্যাচটি কেবলই আনুষ্ঠানিকতার ছিল, তবে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে তা স্মরণীয় হয়ে রইল। কিন্তু সেই ম্যাচকেই স্মরণীয় করে রাখল বাংলাদেশের ক্লাবটি। সংখ্যায় এগিয়ে থেকেও প্রথমার্ধে সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি ফর্টিস।

ম্যাচের ১২ মিনিটে রেগার-তাদাজের শেরজোদ মাখামাদিয়েভের গোলে শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিল ফর্টিস। তবে ১৭ মিনিটে তাজিক ক্লাবের ডিফেন্ডার তকাম সেভেরিন ফর্টিসের জাপানি মিডফিল্ডার নরিকি আকাদাকে ফাউল করলে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। প্রতিপক্ষ ১০ জনের দলে পরিণত হলেও বিরতির আগে ফর্টিস গোল শোধ করতে ব্যর্থ হয় এবং ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে। ফলে বাকি সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় রেগার-তাদাজকে। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ বাড়িয়ে তিন গোল আদায় করে নেয় ফর্টিস।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় বাংলাদেশ। ৬৭ মিনিটে পা ওমর বাবুর নিখুঁত পাস থেকে রাফায়েল টুডুর চমৎকার ব্যাকহিলে সমতায় ফেরে ফর্টিস। চার মিনিট পর ৭১ মিনিটে শিয়ান কাওয়াসাকি লক্ষ্যভেদ করলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দলটি। কর্নার থেকে আসা বলে অনন্ত তামাংয়ের হেডের পর এই গোলটি আসে। ম্যাচের শেষ দিকে ৮৮ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা জাপানি মিডফিল্ডার শুকি ইতোফুসা পা ওমর বাবুর বাড়ানো বলে গোল করলে ৩-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় ফর্টিসের। ৭১ মিনিটে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে ফর্টিস। তবে পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচের চিত্র বদলে যাওয়ার ইঙ্গিত মেলে।

হতাশাজনক শুরুর পর শেষ ম্যাচে এই জয় বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য একটি ইতিবাচক প্রাপ্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এএফসি চ্যালেঞ্জ লীগে নিজেদের পারফরম্যান্সের ইতি টানল বড় এক সাফল্য দিয়েই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এএফসি চ্যালেঞ্জ লীগে ফর্টিসের ঐতিহাসিক প্রথম জয়

আপডেট সময় : ১১:৫২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

এএফসি চ্যালেঞ্জ লীগের গ্রুপ পর্ব থেকে আগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল ফর্টিস এফসির। কুয়েতের হাওয়ালিতে মোহামেদ আল হামাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘সি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে তাজিকিস্তানের ক্লাব এফসি রেগার-তাদাজকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশের এই দলটি। টুর্নামেন্টের মূল পর্বে এটি বাংলাদেশের কোনো ক্লাবের প্রথম জয়। এর আগে প্রথম ম্যাচে কুয়েতের আল কাদসিয়ার কাছে ৩-০ গোলে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের এফসি গোয়ার কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল ফর্টিস। ফলে শেষ ম্যাচটি কেবলই আনুষ্ঠানিকতার ছিল, তবে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে তা স্মরণীয় হয়ে রইল। কিন্তু সেই ম্যাচকেই স্মরণীয় করে রাখল বাংলাদেশের ক্লাবটি। সংখ্যায় এগিয়ে থেকেও প্রথমার্ধে সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি ফর্টিস।

ম্যাচের ১২ মিনিটে রেগার-তাদাজের শেরজোদ মাখামাদিয়েভের গোলে শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিল ফর্টিস। তবে ১৭ মিনিটে তাজিক ক্লাবের ডিফেন্ডার তকাম সেভেরিন ফর্টিসের জাপানি মিডফিল্ডার নরিকি আকাদাকে ফাউল করলে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। প্রতিপক্ষ ১০ জনের দলে পরিণত হলেও বিরতির আগে ফর্টিস গোল শোধ করতে ব্যর্থ হয় এবং ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে। ফলে বাকি সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় রেগার-তাদাজকে। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ বাড়িয়ে তিন গোল আদায় করে নেয় ফর্টিস।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় বাংলাদেশ। ৬৭ মিনিটে পা ওমর বাবুর নিখুঁত পাস থেকে রাফায়েল টুডুর চমৎকার ব্যাকহিলে সমতায় ফেরে ফর্টিস। চার মিনিট পর ৭১ মিনিটে শিয়ান কাওয়াসাকি লক্ষ্যভেদ করলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দলটি। কর্নার থেকে আসা বলে অনন্ত তামাংয়ের হেডের পর এই গোলটি আসে। ম্যাচের শেষ দিকে ৮৮ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা জাপানি মিডফিল্ডার শুকি ইতোফুসা পা ওমর বাবুর বাড়ানো বলে গোল করলে ৩-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় ফর্টিসের। ৭১ মিনিটে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে ফর্টিস। তবে পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচের চিত্র বদলে যাওয়ার ইঙ্গিত মেলে।

হতাশাজনক শুরুর পর শেষ ম্যাচে এই জয় বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য একটি ইতিবাচক প্রাপ্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এএফসি চ্যালেঞ্জ লীগে নিজেদের পারফরম্যান্সের ইতি টানল বড় এক সাফল্য দিয়েই।